শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
LIVE ENGLISH

ইরানের সঙ্গে সংঘাতে ৮১ যুদ্ধবিমান-ড্রোন-হেলিকপ্টার হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র


প্রকাশিত: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২০ এএম

ইরানের সঙ্গে সংঘাতে ৮১ যুদ্ধবিমান-ড্রোন-হেলিকপ্টার হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাত শুরুর পর থেকে গত আট মাসে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৮১টি যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও হেলিকপ্টার ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব সমরাস্ত্রের মূল্য প্রায় ৩৩০ কোটি ডলার।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট কংগ্রেসের তদন্ত ও অনুসন্ধান বিষয়ক পার্লামেন্টারি সংস্থা কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের (সিআরএস) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। গত ৫ অক্টোবর প্রতিবেদনটি কংগ্রেসে জমা দিয়েছে সিআরএস।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধ্বংস হওয়া এসব সামরিক এয়াক্রাফটের মধ্যে রয়েছে ১২টি এফ-১৫ ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান, একটি এফ-৩৫ লাইটনিং ২ স্টেলথ যুদ্ধবিমান, ২টি এ-১০ থান্ডারবোল্ট ২ অ্যাটাক এয়রক্রাফট বা আক্রমণকারী যুদ্ধবিমান।

২ মার্চ কুয়েতের আকাশে ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’ বা নিজেদের বাহিনীর গুলিতে তিনটি এফ-১৫ই বিমান ভূপাতিত করে মার্কিন বাহিনী। এপ্রিলে ইরানের আকাশে যুদ্ধ অভিযানের সময় আরও একটি বিমান ধ্বংস হয়ে যায়।

সিআরএস প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমান ঘাঁটিতে ইরানের হামলার সময় আরও আটটি এফ-১৫ই বিমান সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর অন্যতম অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ-৩৫এ-টি ১৯ মার্চ ইরানের হামলার সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে বিমানটি পুনরায় পরিষেবায় ফিরিয়ে আনা হয়। মোট ক্ষতির একটি উল্লেখযোগ্য অংশজুড়ে রয়েছে ড্রোন।

কংগ্রেসের প্রতিবেদনে দেওয়া সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, সিআরএস-এর তালিকায় অন্তত ৪৫টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। রিপার ড্রোনটি নজরদারি এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কাজে ব্যবহৃত হয়।

বিভিন্ন ঘটনায় ক্ষতির কারণে মে মাস নাগাদ মার্কিন বিমান বাহিনীর এমকিউ-৯ ড্রোন বহরের সংখ্যা কমে ১৩৫টিতে নেমে আসে; অথচ অন্তত ১৮৯টি মোতায়েনযোগ্য রিপার ড্রোন সে সময় প্রয়োজন ছিল মার্কিন বাহিনীর।

২ মার্চ কুয়েতের আকাশে ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’ বা নিজেদের বাহিনীর গুলিতে তিনটি এফ-১৫ই বিমান ভূপাতিত হয় এবং এপ্রিলে ইরানের আকাশে যুদ্ধ অভিযানের সময় আরও একটি বিমান ধ্বংস হয়ে যায়। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমান ঘাঁটিতে ইরানের হামলার সময় আরও আটটি এফ-১৫ই বিমান সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

সিআরএস এর তালিকায় ধ্বংস হওয়া যুদ্ধবিমান ও সামরিক এয়ারক্র্যাফটের মধ্যে আরও রয়েছে সাতটি কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাঙ্কার (আকাশপথে জ্বালানি ভরার বিমান) একটি ই-৩ সেন্ট্রি নজরদারি বিমান, দুটি এমসি-১৩০জে কমান্ডো ২ বিশেষ অভিযানের বিমান এবং একটি এইচএইচ-৬০ডব্লিউ জলি গ্রিন ২ যুদ্ধকালীন অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার।
এছাড়া রয়েছে একটি এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোন, তিনটি এমকিউ-১ ড্রোন, একটি এএইচ-৬৪ অ্যাপাচি অ্যাটাক বা আক্রমনকারী হেলিকপ্টার, চারটি এএইচ-৬ লিটল বার্ড হালকা আক্রমণকারী (লাইট অ্যাটাক) হেলিকপ্টার এবং একটি এমএইচ-৬০ সিহক হেলিকপ্টার।

ই-৩ সেন্ট্রি বিমানটির ক্ষতি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি আকাশপথে নজরদারি এবং কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশনার সক্ষমতা প্রদান করে। বোয়িং ৭০৭ (Boeing 707) কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই বিমানটি মার্কিন বিমান বাহিনীতে আগে থেকেই খুব কম সংখ্যায় ব্যবহৃত হতো।

সিআরএস-এর হালনাগাদ করা এই সংখ্যাটি মে মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনের আগের সংস্করণে উল্লিখিত ৪২টি বিমানের সংখ্যার প্রায় দ্বিগুণ। এই বৃদ্ধির অর্থ অবশ্য এই নয় যে মে মাসের পর আরও ৩৯টি বিমান হারিয়ে গেছে। সিআরএস জানিয়েছে, নতুন তথ্য পাওয়া গেলে এবং আগে রিপোর্ট করা হয়নি এমন ক্ষতির বিষয়টি শনাক্ত হলে তাদের এই হিসাব পরিবর্তিত হতে পারে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে মার্কিন বাহিনী। প্রায় সাড়ে তিন মাস পর জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অপারেশন এপিক ফিউরির সমাপ্তি ঘোষণা করেন। তবে রুবিও সামরিক অভিযান সমাপ্তির ঘোষণা দিলেও পরবর্তী মাসগুলোতে নিয়মিতই পরস্পরকে লক্ষ্য করে হামলা করে গেছে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র।

গত আগস্টে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অভিযান ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ ঘোষণার পর সামরিক হামলায় একপ্রকার বিরতি চলছে, তবে তেহরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এখনো যথেষ্ট মাত্রায় উত্তেজনা রয়েছে এবং যে কোনো সময় ফের পরস্পরকে লক্ষ্য করে দু’পক্ষ সামরিক হামলা শুরু করতে পারে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দেওয়ার অভিযোগ

স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দেওয়ার অভিযোগ

মার্কিন ভিসা নিয়ে দূতাবাসের নতুন সতর্কবার্তা

মার্কিন ভিসা নিয়ে দূতাবাসের নতুন সতর্কবার্তা

 জমি দখল ও চাঁদাবাজিতে এগিয়ে কুমিল্লার কিশোর লিডার পাবেল

জমি দখল ও চাঁদাবাজিতে এগিয়ে কুমিল্লার কিশোর লিডার পাবেল

তাছলিমা আক্তার মুক্তা কবিতা: কাশ পাপড়ি

তাছলিমা আক্তার মুক্তা কবিতা: কাশ পাপড়ি

সুনামগঞ্জে বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের বই বিতরণ

সুনামগঞ্জে বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের বই বিতরণ

সুনামগঞ্জের হাসাউরা গ্রামের আনারস চাষের সম্প্রসারণ ও জিআই পণ্য হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করনের লক্ষে কৃষকদের নিয়ে মতবিনিময়

সুনামগঞ্জের হাসাউরা গ্রামের আনারস চাষের সম্প্রসারণ ও জিআই পণ্য হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করনের লক্ষে কৃষকদের নিয়ে মতবিনিময়

রাজধানীতে আ.লীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ৪

রাজধানীতে আ.লীগের ঝটিকা মিছিল, আটক ৪

ময়ননসিংহে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ–২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

ময়ননসিংহে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ–২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

প্যাটারসনে তরুণদের জন্য নতুন বক্সিং ও ফিটনেস সেন্টারের শুভ উদ্বোধন:

প্যাটারসনে তরুণদের জন্য নতুন বক্সিং ও ফিটনেস সেন্টারের শুভ উদ্বোধন:

এক রাতেই সর্বস্বান্ত সিলেটের কৃষক বাতেন

এক রাতেই সর্বস্বান্ত সিলেটের কৃষক বাতেন

শাহজালাল থার্ড টার্মিনালে বিমানের একচেটিয়া রাজত্ব শেষ হচ্ছে

শাহজালাল থার্ড টার্মিনালে বিমানের একচেটিয়া রাজত্ব শেষ হচ্ছে

এবার আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিল যুক্তরাষ্ট্র

এবার আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিল যুক্তরাষ্ট্র

খাদি শিল্পকে রক্ষায় সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি- ড. সায়মা

খাদি শিল্পকে রক্ষায় সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি- ড. সায়মা

কলমে রিতুনুর কবিতা: জীবন যেখানে জিরো

কলমে রিতুনুর কবিতা: জীবন যেখানে জিরো

ডিসেম্বরে শক্তিশালী ‘এল নিনো’র আশঙ্কা: বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার সতর্কবার্তা

ডিসেম্বরে শক্তিশালী ‘এল নিনো’র আশঙ্কা: বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার সতর্কবার্তা

সুনামগঞ্জে বাণিজ্য মেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

সুনামগঞ্জে বাণিজ্য মেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশন শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন

আবদুস সামাদ ফাউন্ডেশন শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন

সন্দেহের বশে কাউকে ‘বাংলাদেশি’ বানিয়ে দেশছাড়া করা যাবে না: কলকাতা হাইকোর্ট

সন্দেহের বশে কাউকে ‘বাংলাদেশি’ বানিয়ে দেশছাড়া করা যাবে না: কলকাতা হাইকোর্ট

মেজর নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড লাইভস্ট্রিম ও ফায়ারিং স্কোয়াডে কার্যকরের সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের

মেজর নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড লাইভস্ট্রিম ও ফায়ারিং স্কোয়াডে কার্যকরের সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের

আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে হারালাম: মিঠুন

আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে হারালাম: মিঠুন

Voice of New Jersey

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


ইরানের সঙ্গে সংঘাতে ৮১ যুদ্ধবিমান-ড্রোন-হেলিকপ্টার হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাত শুরুর পর থেকে গত আট মাসে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৮১টি যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও হেলিকপ্টার ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব সমরাস্ত্রের মূল্য প্রায় ৩৩০ কোটি ডলার।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট কংগ্রেসের তদন্ত ও অনুসন্ধান বিষয়ক পার্লামেন্টারি সংস্থা কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের (সিআরএস) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। গত ৫ অক্টোবর প্রতিবেদনটি কংগ্রেসে জমা দিয়েছে সিআরএস।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধ্বংস হওয়া এসব সামরিক এয়াক্রাফটের মধ্যে রয়েছে ১২টি এফ-১৫ ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান, একটি এফ-৩৫ লাইটনিং ২ স্টেলথ যুদ্ধবিমান, ২টি এ-১০ থান্ডারবোল্ট ২ অ্যাটাক এয়রক্রাফট বা আক্রমণকারী যুদ্ধবিমান।

২ মার্চ কুয়েতের আকাশে ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’ বা নিজেদের বাহিনীর গুলিতে তিনটি এফ-১৫ই বিমান ভূপাতিত করে মার্কিন বাহিনী। এপ্রিলে ইরানের আকাশে যুদ্ধ অভিযানের সময় আরও একটি বিমান ধ্বংস হয়ে যায়।

সিআরএস প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমান ঘাঁটিতে ইরানের হামলার সময় আরও আটটি এফ-১৫ই বিমান সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর অন্যতম অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ-৩৫এ-টি ১৯ মার্চ ইরানের হামলার সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে বিমানটি পুনরায় পরিষেবায় ফিরিয়ে আনা হয়। মোট ক্ষতির একটি উল্লেখযোগ্য অংশজুড়ে রয়েছে ড্রোন।

কংগ্রেসের প্রতিবেদনে দেওয়া সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, সিআরএস-এর তালিকায় অন্তত ৪৫টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। রিপার ড্রোনটি নজরদারি এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কাজে ব্যবহৃত হয়।

বিভিন্ন ঘটনায় ক্ষতির কারণে মে মাস নাগাদ মার্কিন বিমান বাহিনীর এমকিউ-৯ ড্রোন বহরের সংখ্যা কমে ১৩৫টিতে নেমে আসে; অথচ অন্তত ১৮৯টি মোতায়েনযোগ্য রিপার ড্রোন সে সময় প্রয়োজন ছিল মার্কিন বাহিনীর।

২ মার্চ কুয়েতের আকাশে ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’ বা নিজেদের বাহিনীর গুলিতে তিনটি এফ-১৫ই বিমান ভূপাতিত হয় এবং এপ্রিলে ইরানের আকাশে যুদ্ধ অভিযানের সময় আরও একটি বিমান ধ্বংস হয়ে যায়। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমান ঘাঁটিতে ইরানের হামলার সময় আরও আটটি এফ-১৫ই বিমান সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

সিআরএস এর তালিকায় ধ্বংস হওয়া যুদ্ধবিমান ও সামরিক এয়ারক্র্যাফটের মধ্যে আরও রয়েছে সাতটি কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাঙ্কার (আকাশপথে জ্বালানি ভরার বিমান) একটি ই-৩ সেন্ট্রি নজরদারি বিমান, দুটি এমসি-১৩০জে কমান্ডো ২ বিশেষ অভিযানের বিমান এবং একটি এইচএইচ-৬০ডব্লিউ জলি গ্রিন ২ যুদ্ধকালীন অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার।
এছাড়া রয়েছে একটি এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোন, তিনটি এমকিউ-১ ড্রোন, একটি এএইচ-৬৪ অ্যাপাচি অ্যাটাক বা আক্রমনকারী হেলিকপ্টার, চারটি এএইচ-৬ লিটল বার্ড হালকা আক্রমণকারী (লাইট অ্যাটাক) হেলিকপ্টার এবং একটি এমএইচ-৬০ সিহক হেলিকপ্টার।

ই-৩ সেন্ট্রি বিমানটির ক্ষতি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি আকাশপথে নজরদারি এবং কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশনার সক্ষমতা প্রদান করে। বোয়িং ৭০৭ (Boeing 707) কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই বিমানটি মার্কিন বিমান বাহিনীতে আগে থেকেই খুব কম সংখ্যায় ব্যবহৃত হতো।

সিআরএস-এর হালনাগাদ করা এই সংখ্যাটি মে মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনের আগের সংস্করণে উল্লিখিত ৪২টি বিমানের সংখ্যার প্রায় দ্বিগুণ। এই বৃদ্ধির অর্থ অবশ্য এই নয় যে মে মাসের পর আরও ৩৯টি বিমান হারিয়ে গেছে। সিআরএস জানিয়েছে, নতুন তথ্য পাওয়া গেলে এবং আগে রিপোর্ট করা হয়নি এমন ক্ষতির বিষয়টি শনাক্ত হলে তাদের এই হিসাব পরিবর্তিত হতে পারে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে মার্কিন বাহিনী। প্রায় সাড়ে তিন মাস পর জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অপারেশন এপিক ফিউরির সমাপ্তি ঘোষণা করেন। তবে রুবিও সামরিক অভিযান সমাপ্তির ঘোষণা দিলেও পরবর্তী মাসগুলোতে নিয়মিতই পরস্পরকে লক্ষ্য করে হামলা করে গেছে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র।

গত আগস্টে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অভিযান ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ ঘোষণার পর সামরিক হামলায় একপ্রকার বিরতি চলছে, তবে তেহরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এখনো যথেষ্ট মাত্রায় উত্তেজনা রয়েছে এবং যে কোনো সময় ফের পরস্পরকে লক্ষ্য করে দু’পক্ষ সামরিক হামলা শুরু করতে পারে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট


Voice of New Jersey

Publisher: voiceofnewjersey LLC, USA.
Editor: Masud Alam Chowdhury

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ইরানের সঙ্গে সংঘাতে ৮১ যুদ্ধবিমান-ড্রোন-হেলিকপ্টার হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
0:00 / 0:00
1x