উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
হুরবানু আক্তার পলি: দেবীদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
কুমিল্লার
দেবীদ্বার উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নে গ্রামীণ কর্মসংস্থান ও সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ
প্রকল্পের অধীনে ইউনিয়ন ভিত্তিক নারী কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম সম্পন্ন
হয়েছে।
বুধবার সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাকক্ষে ওই নিয়োগ কার্যক্রম লটারির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
এ
সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমার সভাপতিত্বে এবং উপজেলা
প্রকৌশলী মনিরুল সাদ রিয়াসনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন
দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিভিন্ন
ইউনিয়নের নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব), ইউপি সদস্য এবং বিপুল সংখ্যক নিয়োগ
প্রত্যাশী প্রার্থী।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর পরিচালিত এই
প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিয়াসন
বলেন, গ্রামীণ সড়কসমূহের টেকসই রক্ষণাবেক্ষণ, বনায়নের পরিচর্যা, সামাজিক
উন্নয়নমূলক নানা কাজের তদারকি করা এবং বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা, অসহায়,
সহায়-সম্বলহীন সুবিধাবঞ্চিত নারীদের স্বাবলম্বী করে তোলাই এর লক্ষ্য।
তিনি
আরো বলেন, এই প্রকল্পে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার মাধ্যমে প্রকৃত
দুঃস্থ ও যোগ্য নারীদের বাছাই করা হচ্ছে। উপজেলার ১৫ ইউনিয়ন ১০ জন করে
দৈনিক পারিশ্রমিক ৩ শত টাকা করে দেয়া হলেও, প্রত্যেরের নিজস্ব হিসেবে একশত
টাকা করে জমা রাখা হবে। মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ২৭২ জন। স্বচ্ছতার
প্রমাণস্বরূপ সকলের উপস্থিতিতে লটারির মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত
হয়। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, ২৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী নির্বাচিত নারী কর্মীদের
বাড়ি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক তালিকাভুক্ত মেরামতের সড়কের
দুই কিলোমিটারের মধ্যে হতে হবে, যাতে তারা সহজে ও স্বল্প সময়ে কর্মস্থলে
পৌঁছাতে পারেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা নিয়োগ
প্রক্রিয়ার সার্বিক বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা
সচল রাখতে এবং গ্রামীণ অবকাঠামোর টেকসই উন্নয়নে এই প্রকল্প অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে
প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত ও যোগ্য নারীদের কর্মসংস্থানের আওতায় নিয়ে আসতেই আমরা
উন্মুক্ত লটারির আয়োজন করেছি। এই নিয়োগের ফলে যেমন গ্রামীণ সড়কগুলোর নিয়মিত
রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত হবে, ঠিক তেমনিভাবে সমাজের অবহেলিত, বিধবা ও স্বামী
পরিত্যক্তা নারীরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাবেন, যা তাদের
জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সরাসরি অবদান রাখবে।