উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সন্ত্রাস,
চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছেন খুলনা-৩ আসনের
সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল। একইসঙ্গে তিনি
যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে বাঁচাতে বন্ধ পাটকলগুলো পুনরায় চালু করে ব্যাপক
কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বুধবার (৭ অক্টোবর)
দুপুরে নগরীর দৌলতপুর মহেশ্বরপাশা পশ্চিমপাড়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার আয়োজনে
গরিব ও অসহায়দের মাঝে মশারি ও মশা নিধন যন্ত্র (স্প্রে মেশিন) বিতরণ
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রকিবুল ইসলাম
বকুল বলেন, “জনগণ অনেক কষ্ট করে আমাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে
পাঠিয়েছে। আমি এবং আমার সরকার সবসময় আপনাদের পাশে আছি।”
ডেঙ্গু
পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, শুধু সরকার বা কোনো সংস্থার
পক্ষে ডেঙ্গু মোকাবিলা সম্ভব নয়। এডিস মশা বাড়ির আঙিনায় জমে থাকা
পরিষ্কার পানিতে জন্মায়। তাই নিজ নিজ বসতবাড়ি ও আঙিনা পরিষ্কার রাখা সবার
দায়িত্ব। এ সময় তিনি পর্যায়ক্রমে এলাকার সব বাড়িতে মশারি পৌঁছে
দেওয়ার আশ্বাস দেন।
যুবসমাজের অবক্ষয় ও মাদকে জড়িয়ে পড়ার মূল
কারণ হিসেবে বেকারত্বকে দায়ী করে হুইপ বকুল বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে
পারলে যুবসমাজ মাদকের দিকে ধাবিত হবে না। তিনি জানান, সরকার ইতোমধ্যে
ক্রিসেন্ট, পিপলস, প্লাটিনাম ও স্টার জুট মিল বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠীর কাছে
বরাদ্দ দিয়েছে, যেখানে খুব শিগগিরই উৎপাদন ও কর্মসংস্থান শুরু হবে। এছাড়া
দৌলতপুর জুট প্রেস এবং সোনালী আঁশ জুট মিল চালুর বিষয়েও তিনি প্রতিশ্রুতি
দেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেন,
সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে। ফ্যাসিস্ট
আমলের কোনো সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ বা দুষ্কৃতিকারীকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
একইসাথে বিপথগামীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে
পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
এছাড়া যুবসমাজকে
খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে জরাজীর্ণ নবারুণ ক্লাব ও খেলার মাঠ সংস্কার,
রাস্তাঘাট উন্নয়ন এবং স্থানীয় চারটি মসজিদ ও একটি মহিলা মাদ্রাসায়
আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি।
মহেশ্বরপাশা পশ্চিমপাড়া সমাজ
কল্যাণ সংস্থার উপদেষ্টা আ. সাত্তার মোল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী,
দৌলতপুর থানা বিএনপির সভাপতি এম মুর্শিদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন
এবং মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ সুমনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।