বুধবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ১২.৬৭°সে
সর্বশেষ:
বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দলকে দুবাই বিমানবন্দরে সংবর্ধনা সৌদির নতুন প্রধানমন্ত্রী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ইতালিতে মেলোনির জয়ে ‘অস্বস্তিতে’ ইউরোপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন আজ বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বাঁশখালীর আকাশে উড়ল আশিরের বিমান গিলাতলা দক্ষিনপড়ায় বিট পুলিশিং কমিটির আয়োজনে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কের আন নুর কালচারাল সেন্টারের গ্রাজুয়েশন সিরিমনি সম্পন্ন নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অবশেষে জনসম্মুখে চীনের প্রেসিডেন্ট পাটকাঠি আস্ত রেখে পাটের আঁশ ছাড়ানোর যন্ত্র আবিষ্কার বাবুল আক্তারসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে পিবিআই প্রধানের মামলা সাফজয়ী নারী দলকে কোটি টাকার চেক দিল সেনাবাহিনী

উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়াতে হবে

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় রেকর্ড সংখ্যক শিক্ষার্থী পাশ করা সত্ত্বেও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে অন্তত ৫ লাখ আসন শূন্য থাকবে। এর কারণ পাশ করা শিক্ষার্থীর তুলনায় এ স্তরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আসন বেশি। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা ভর্তি নিয়ে চিন্তামুক্ত থাকবেন, এটাই স্বাভাবিক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তব চিত্রটি ভিন্ন। পছন্দের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবেন কিনা, এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা এখন উদ্বিগ্ন। দেশে এত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকা সত্ত্বেও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে নামকরা ও ভালোমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কম। এ স্তরের শিক্ষার জন্য দেশে হাজার হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকে হাতেগোনা আড়াইশ প্রতিষ্ঠান। দেশে শত শত বেসরকারি পলিটেকনিক থাকলেও শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ডজনখানেক প্রতিষ্ঠান। প্রায় সব শিক্ষার্থীকেই ভালোমানের প্রতিষ্ঠানের দিকে ছুটতে দেখা যায়। ফলে ভর্তি নিয়ে এক ধরনের তুমুল প্রতিযোগিতা অপেক্ষা করছে। যেহেতু উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে নামকরা ও ভালোমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কম, সেহেতু অনেক শিক্ষার্থী তাদের পছন্দের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাবেন না। দেশে এ স্তরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করা হলে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না।

বস্তুত শুধু উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ সংকট বিদ্যমান, বিষয়টি এমন নয়। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরেও নামকরা ও ভালোমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কম। এ অবস্থায় দেশে শিক্ষার মান কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে কী করে উন্নীত হবে, এটা এক প্রশ্ন। প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হন। উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া অনেক শিক্ষার্থীর জানার পরিধি কতটা সীমিত বিষয়টি বহুল আলোচিত। এর জন্য এককভাবে শিক্ষার্থীদের দায়ী করা ঠিক হবে না। দেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করা হলে এমন অবস্থার সৃষ্টি হতো না, যা বলাই বাহুল্য। অনেক ধাপ অতিক্রম করার পরই একজন শিক্ষার্থীকে উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য নির্বাচিত করা হয়। স্বাভাবিকভাবেই সবাই আশা করে উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া প্রত্যেক শিক্ষার্থী বিশ্বমানের শিক্ষা অর্জনের জন্য উন্মুখ থাকবেন। জানা গেছে, উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া বহু শিক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত দক্ষতা অর্জন করতে পারছেন না। এর প্রধান কারণ এসব শিক্ষার্থীর শিক্ষার ভিত মজবুত নয়। এ অবস্থায় শিক্ষা খাতে কাঙ্ক্ষিত সুফল পেতে হলে সব শিক্ষার্থীর শিক্ষার ভিত মজবুত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

জানা গেছে, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিগ্গির শুরু হবে ভর্তি কার্যক্রম। এ কার্যক্রমে যাতে কোনো রকম জটিলতা সৃষ্টি না হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। লক্ষ করা যায়, নতুন শিক্ষাবর্ষে এবং নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘উন্নয়ন ফি’ নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়। নিয়মবহির্ভূত এসব অর্থ প্রদান করতে গিয়ে অনেক অভিভাবক দিশেহারা হয়ে পড়েন। এসব অনিয়ম রোধেও কর্তৃপক্ষকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের সড়ক-মহাসড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ,ঈদযাত্রা নিরাপদ হোক
ঈদযাত্রায় দুর্ভোগের আশঙ্কা
পুনঃভর্তি ফি আদায় বন্ধ হোক
অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার ও স্বাস্থ্যঝুঁকি
স্বাগত ২০২২: ক্ষত কাটিয়ে নবোদ্যমে চলার বছর হোক
সড়কে নৈরাজ্য: শৃঙ্খলা ফিরবে কবে?

আরও খবর


close