বৃহস্পতিবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ২৭.৮°সে

বাংলাদেশে হচ্ছে বিশ্বের দৃষ্টিনন্দন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

বা্ংলাদেশে বিশ্বের দৃষ্টিনন্দন বিমানবন্দরগুলোর তালিকায় স্থান পেতে যাচ্ছে কক্সবাজার বিমানবন্দর। দেশবাসীর জন্য নিঃসন্দেহে এটি একটি আনন্দের খবর। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে কক্সবাজার দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত। এবার সেখানে তৈরি হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

এ বিমানবন্দরের নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে তা দেশের পর্যটন শিল্পেও নতুন মাত্রা যোগ করবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কক্সবাজারে রয়েছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ সৈকত, যার প্রতি দেশি-বিদেশি ভ্রমণপিপাসুদের রয়েছে বিশেষ আকর্ষণ; এর পাশাপাশি দৃষ্টিনন্দন বিমানবন্দরের তথ্যটি ভ্রমণপিপাসুদের কাছে ঠিকমতো উপস্থাপন করা গেলে কক্সবাজারে দেশি-বিদেশি পর্যটকের ঢল নামবে, এটা সহজেই অনুমেয়। এ বিমানবন্দরের নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের পর এখানে বর্ণিল আলোয় সমুদ্র ছুঁয়ে ওঠানামা করবে বড় বড় উড়োজাহাজ।

জানা যায়, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মর্যাদা পেতে যাচ্ছে। ফলে এখানে নতুন প্রজন্মের বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর, বি-৭৪৭, এয়ারবাসসহ বড় বড় বিমানও ওঠানামা করতে পারবে; বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যটকরা সরাসরি আসতে পারবে কক্সবাজারে। এ বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনও তৈরি হচ্ছে আকর্ষণীয় আকৃতিতে, যা দেখতে ঝিনুকের মতো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক আগ্রহ ও পরিকল্পনায় এ বিমানবন্দরের নতুন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।

কক্সবাজার বিমানবন্দরকে বিশ্বমানের বিমানবন্দরে পরিণত করতে প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনায় নতুন টার্মিনাল ভবন নির্মাণ, এয়ারফিল্ড গ্রাউন্ড লাইটিং সিস্টেম স্থাপনসহ অন্যান্য কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। এবার শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের রানওয়ে সম্প্রসারণের কাজ। রোববার সকালে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করে প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নে অনেক পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে; আর কক্সবাজার নিয়ে তো আরও বেশি। তিনি আরও বলেন, কক্সবাজার হবে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সি-বিচ, পর্যটন কেন্দ্র এবং অত্যন্ত আধুনিক শহর।

জানা যায়, কক্সবাজারের এই বিমানবন্দর ঘিরে তৈরি হবে আঞ্চলিক এভিয়েশনের হাব। সারা বিশ্ব থেকে সুপরিসর বিমান কক্সবাজারে ওঠানামা করতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কক্সবাজার বিমানবন্দরের বর্তমান রানওয়ে ৯ হাজার ফুট। এটি আরও ১ হাজার ৭০০ ফুটে সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। সম্প্রসারিত হতে যাওয়া রানওয়ের মধ্যে ১ হাজার ৩০০ ফুটই থাকবে সমুদ্রের ওপর।

দৃষ্টিনন্দন বিমানবন্দরের নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বিশ্ববাসীর কাছে নতুনভাবে পরিচিতি লাভ করবে কক্সবাজার। বস্তুত, পর্যটন খাতে আমাদের দেশের যে সম্ভাবনা রয়েছে তা সঠিকভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হলে দেশের অর্থনৈতিক বিকাশেও তা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের সড়ক-মহাসড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ,ঈদযাত্রা নিরাপদ হোক
ঈদযাত্রায় দুর্ভোগের আশঙ্কা
পুনঃভর্তি ফি আদায় বন্ধ হোক
অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার ও স্বাস্থ্যঝুঁকি
উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়াতে হবে
স্বাগত ২০২২: ক্ষত কাটিয়ে নবোদ্যমে চলার বছর হোক

আরও খবর


close