শুক্রবার, ১লা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ২.৩৮°সে
সর্বশেষ:
ইউরোপে আশ্রয় পেতে ৪০ হাজার বাংলাদেশির রেকর্ড আবেদন মিশিগান প্রাইমারিতে বাইডেন ও ট্রাম্পের জয় নিউইয়র্কে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ সেনা কর্মকর্তার প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ইসরাইলকে সমর্থন জানানোয় মিশিগানে বাইডেনকে তিরস্কার সব সঞ্চয় ফিলিস্তিনি শিশুদের জন্য দান করে গেছেন সেই মার্কিন সেনা সিলেটে সড়কে ঝরল নারীসহ ৩ জনের প্রাণ প্রকাশ্যে গৃহবধূকে নির্যাতন, কাউন্সিলর গ্রেফতার সয়াবিন তেলের নতুন দাম কার্যকর কাল রোজার আগে আরব আমিরাতে ৪০ শতাংশ কমল খেজুরের দাম সালাম মুর্শেদী গুলশানে এক মুহূর্তও থাকতে পারে না : হাইকোর্টে ব্যারিস্টার সুমন গাজায় ৩০ হাজারের বেশি মানুষ হত্যা করেছে ইসরায়েল যেসব কারণে ঢাকাকে পাশে চায় যুক্তরাষ্ট্র

রাজশাহীতে নির্বাচন কর্মকর্তার বাসায় অবরুদ্ধ আ.লীগ নেতা

রাজশাহী প্রতিনিধি:
রাজশাহীর সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আবুল হোসেনের বাসায় আওয়ামী লীগের এক নেতাকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা ঘটেছে। পরে এই নেতাকে পুলিশ এসে উদ্ধার করে। নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল হোসেন সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা।

রোববার (১৮ জুন) রাত ৯টার দিকে নগরীর সাগরপাড়া এলাকায় নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল হোসেনের বাসায় ঢোকেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইশতিয়াক আহমেদ লিমন। তখন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা এসে তাঁকে সেখানে অবরুদ্ধ করেন। রাত ১২টার দিকে পুলিশ এসে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

উদ্ধারের আগে পর্যন্ত বাসাটি ঘিরে রেখেছিলেন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা। যারা লিমনকে অবরুদ্ধ করেছিলেন তাঁদের দাবি, লিমনের সঙ্গে আরও দুজন ছিলেন। লিমনকে বাসায় অবরুদ্ধ করার সময় একটি ব্যাগ নিয়ে মোটরসাইকেলে করে তাঁরা পালিয়ে গেছেন। নির্বাচন কর্মকর্তাকে ‘ম্যানেজ’ করতে তাঁরা এসেছিলেন বলে অভিযোগ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতা–কর্মীদের।

নির্বাচন কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করতে লিমন তাঁর বাসায় গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের।

লিমনের মামা আবদুল হামিদ সরকার টেকন নগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। আগামী ২১ জুন অনুষ্ঠেয় সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও তিনি প্রার্থী হয়েছেন। লিমন, তাঁর বাবা মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও জেলা পরিসদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, লিমনের আরেক মামা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারসহ এই পরিবারটি এবার সিটি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর জন্য কাজ করছেন না বলে অভিযোগ আছে।

লিমন যখন অবরুদ্ধ ছিলেন, তখন তাঁর বাবা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মীর ইকবালসহ পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। পরিবারের নারীরা চিৎকার করে কান্নাকাটি করছিলেন। মীর ইকবাল ভিড়ের মধ্যে ঢোকার চেষ্টা করলে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় তাঁর ছেলে মীর ইমতিয়াজ বলছিলেন, ‘একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার গায়ে হাত তোলা হলো!’

আওয়ামী লীগ নেতা লিমন অবরুদ্ধ থাকার সময় পরিবারের নারীরা এসে চিৎকার ও কান্নাকাটি করতে থাকেন।

লিমনকে অবরুদ্ধকারী ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা বাইরে নানা স্লোগান দিচ্ছিলেন। তাঁরা বলছিলেন, মামা কাউন্সিলর প্রার্থী টেকনকে জেতানো এবং আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীকে পরাজিত করার জন্য টাকা দিতে এসেছিলেন লিমন। তাই তাঁরা লিমনকে গ্রেপ্তার এবং দল থেকে বহিষ্কারের দাবি করেন।

তবে নির্বাচন কর্মকর্তার বাসা থেকে কী উদ্ধার করা হয়েছে তা জানা যায়নি। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ এ ব্যাপারে কোনো কথা বলতে রাজি হয়নি। পুলিশ নির্বাচন কর্মকর্তার বাসার সামনে অবস্থান করছে। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল হোসেন তাঁর ওই ভাড়া বাড়িতেই অবস্থান করছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

ইউরোপে আশ্রয় পেতে ৪০ হাজার বাংলাদেশির রেকর্ড আবেদন
সব সঞ্চয় ফিলিস্তিনি শিশুদের জন্য দান করে গেছেন সেই মার্কিন সেনা
সিলেটে সড়কে ঝরল নারীসহ ৩ জনের প্রাণ
প্রকাশ্যে গৃহবধূকে নির্যাতন, কাউন্সিলর গ্রেফতার
সয়াবিন তেলের নতুন দাম কার্যকর কাল
রোজার আগে আরব আমিরাতে ৪০ শতাংশ কমল খেজুরের দাম

আরও খবর