বৃহস্পতিবার, ৩রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ ০.৬৭°সে

উন্নত বিশ্বের আদলে আধুনিক সক্ষমতায় ফায়ার সার্ভিস

জাকির হুসাইন:

দেশে নগরায়ণ ও শিল্পায়ন বৃদ্ধি পাওয়ায় অগ্নিঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। এ ঝুঁকি মাথায় নিয়েই উন্নত বিশ্বের আদলে সাজানো হয়েছে ফায়ার সার্ভিসকে। পেয়েছে আধুনিকতার ছোঁয়া। বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে সক্ষমতা। দেশের সার্বিক উন্নয়নে ফায়ার সার্ভিসকে আরো আধুনিক করতে চায় সরকার। কেননা যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান, ইরান, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের ন্যায় অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতিতে গড়ে তোলা হয়েছে সেবাধর্মী এ প্রতিষ্ঠানটিকে। প্রতি উপজেলায় ফায়ার স্টেশন নির্মাণের পাশাপাশি ১১টি আধুনিক ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন স্থাপনের প্রকল্প চলমান রয়েছে। আগামী ২০২২ সালের মধ্যে সারা দেশে প্রায় ৭০০টি ফায়ার স্টেশন স্থাপন হবে। বর্তমানে ২০ তলা পর্যন্ত উঁচু ভবনে অগ্নিনির্বাপণের কাজ করার মত যন্ত্রপাতি ও সক্ষমতা অর্জন করেছেন তারা। গত ১০ বছরে অনেক সক্ষমতা অর্জন করলেও একই সময়ে দেশে প্রায় দেড় লাখ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বমানের সক্ষমতা না থাকলেও উন্নত দেশগুলোর মতো একই মানের সরঞ্জাম রয়েছে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের। ঢাকার মতো যানজটের শহরেও তাদের রয়েছে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সক্ষমতা। এরপরও বনানীসহ সম্প্রতি আগুনের ঘটনাগুলোর পর ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা আরো বাড়ানোর কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা। বলেছেন একটি ফায়ার অ্যাভিয়েশনের কথাও। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা মনে করেন, ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা যেমন বাড়াতে হবে, তেমনি যথাযথ নিয়ম মেনেই প্রত্যেকটি ভবন ও স্থাপনা নির্মাণ করতে হবে। নিজেদের নিরাপত্তার জন্যেই ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের অনুমোদন ও ভবন নির্মাণ নীতিমালা মেনে চলতে হবে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ‘ফায়ার সার্ভিসকে শক্তিশালী ও কর্মক্ষম করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নিয়োগবিধি সংশোধন ও জনবল কাঠামো বৃদ্ধির প্রক্রিয়া চলছে। উন্নত বিশ্বের আদলে ‘ফায়ারম্যান’-এর নাম বদলে ‘ফায়ার ফাইটার’ করা হয়েছে। আধুনিক ফায়ার স্টেশন নির্মাণের সঙ্গে বাড়ানো হচ্ছে বাহিনীর জনবলও। বাহিনীর সদস্যদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গঠন করা হয়েছে কল্যাণ ট্রাস্ট। এসব পদক্ষেপ কার্যকর হলে বাড়বে প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা। শক্তিশালী হবে ফায়ার সার্ভিস।
এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ চলছে দীর্ঘদিন আগে থেকে। ২০০৭ সালে কাওরানবাজারের বিএসইসি ভবনে এবং ২০০৯ সালে বসুন্ধরা শপিংমলসহ কয়েকটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই পর্যায়ক্রমে ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা বাড়াতে শুরু করে সরকার। বর্তমানে ৬০ মিটার ওপর পর্যন্ত যাওয়ার সক্ষমতা রয়েছে ফায়ার সার্ভিসের। এটি ৭০ মিটারের ওপরে নিয়ে যেতে হবে। এছাড়াও যেকোনো স্থানে পৌঁছাতে (প্রথম ইউনিটের) তাদের সময় লাগে ১৫ থেকে ২০ মিনিট। সেই সময়টা কমিয়ে ১০ মিনিট করার চেষ্টা চলছে। এ সময়ের আগে বিশ্বের কোনো দেশের ফায়ার সার্ভিসেরই ঘটনাস্থলে পৌঁছানো সম্ভব নয় বলে মনে করেন তারা। সেজন্য আগুন লাগার পর ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে রাখার মতো ব্যবস্থা রাখতে হবে সব স্থাপনায়। আর আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, ১১টি আধুনিক ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন স্থাপনে নেওয়া প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬২৯ কোটি ৭৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে আগামী বছরের ৩০ জুনের মধ্যে এসব স্টেশন স্থাপন করা হবে। উপজেলাগুলোতে নতুন ঘরবাড়ি ও কল-কারখানা হচ্ছে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিবেচনা করে সব উপজেলায় ৫৬৫টি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণের উদ্যোগ ও নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ। এসব স্টেশনে মানুষের জানমাল সুরক্ষায় ফায়ার সার্ভিসের সামর্থ্য বৃদ্ধি পাবে।
গতবছর রাজধানীর চকবাজারের চুড়িহাট্টা ও বনানীর এফআর টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ঘোষণা দিয়েছিলেন, আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের জন্য বিশেষ ধরনের হেলিকপ্টার কেনা হবে; যা দিয়ে উদ্ধার এবং আগুন নিয়ন্ত্রণ দুটোই হবে। এ ছাড়া ফায়ার সার্ভিসকে আধুনিকায়নের কাজ অব্যাহত রয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক-নির্দেশনায় ফায়ার সার্ভিসের আধুনিকায়ন ও ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। অগ্নিকাণ্ড ছাড়াও দেশে যেকোনো দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় অগ্নিসেনা দল সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। বঙ্গবন্ধু ফায়ার একাডেমি প্রতিষ্ঠার কাজ চলছে। আগামী ২০২২ সালে ৭০০ স্টেশন হবে। মুন্সীগঞ্জে অত্যাধুনিক ফায়ার ফ্যাকাল্টির কাজ চলছে। ফায়ার সার্ভিস ২০তলা পর্যন্ত উঁচুতে কাজ করতে সক্ষম হবে। নদীমাতৃক দেশ হিসেবে নদী ফায়ার স্টেশনেরও কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশের সব উপজেলায় স্টেশন হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসকে যুগোপযোগী করে তুলতে ৬২ হাজার অগ্নিসেনাকে দক্ষ ভলান্টিয়ারের প্রশিক্ষণ দিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে। অগ্নিসেনাদের বেতন ১৮ থেকে ১৭তম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিস দুর্যোগ মোকাবিলায় সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে।
অগ্নি দুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজে ব্যবহারের জন্য গত বছরের ২৪ নভেম্বর ফায়ার সার্ভিসকে তিনটি অত্যাধুনিক জাম্বু কুশন হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া দেশে অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াতে আরো আধুনিক যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম কিনতে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। যেসব যন্ত্রপাতি কেনা হচ্ছে, তার মধ্যে রয়েছে অগ্নিকাণ্ড বা যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনায় নিরাপদ বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করতে ৩০টি ট্রেইলর মাউন্টেড জেনারেটর উইথ লাইট মাস্ট, কোনো ধরনের দুর্ঘটনা বা অগ্নিকাণ্ডের সময় আক্রান্ত স্থানগুলোয় ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীদের সহজে প্রবেশের ব্যবস্থা করতে যুক্ত হয়েছে দুটি রিমোট অপারেটেড ফায়ার ফাইটিং ভেহিক্যাল। এছাড়া ব্যাকপ্যাক ওয়াটারমিস্ট ৬০টি, উদ্ধারকর্মীদের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো উন্নত করতে টোয়িং ভেহিক্যাল (পিক-আপ টাইপ) ৫০টি, দেয়াল কাটার কাজে ব্যবহৃতের জন্য এক্সেভেটর উইথ ডিমোলেশন হ্যামার একটি। এর মাধ্যমে দেয়াল কেটে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা হবে। বিভিন্ন ধরনের অগ্নিকাণ্ডসহ অন্যান্য দুর্ঘটনা মোকাবিলায় ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ টেন্ডার ২৫টি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে এনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা যায়। তাই ফায়ার সার্ভিসে গত কয়েক বছরে সময়োপযোগী আধুনিক বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সংযোজন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কোল্ড কাট (কোবরা)। বিশেষ ধরনের এ সরঞ্জাম টোয়িং ভেহিক্যাল দ্বারা পরিবহন করা হয়। এছাড়া রয়েছে ওয়াটারমিস্ট; যা সংকীর্ণ স্থানে অল্প পরিসরে তেলজাতীয় পদার্থের আগুনে পানি ও ফোমের সমন্বয়ে ব্যবহৃত হয়। আরো রয়েছে ফোম কামান যা ব্যাপক পরিসরে তেলজাতীয় পদার্থের আগুনে ব্যবহৃত হয়; গ্রাউন্ড মনিটর যা বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডে বেশি দূরত্বে বেশি মাত্রায় পানি নিক্ষেপে ব্যবহৃত হয়। উদ্ধারের জন্য ইমারজেন্সি টেন্ডার-১ ও ২, ধোঁয়া নিষ্কাশন ও বদ্ধ স্থানে বিশুদ্ধ বাতাস প্রবাহের জন্য এবং বিষাক্ত কার্বন বের করার জন্য স্মোক ইজেক্টর, হাইড্রলিক কাটার, লিফটিং এয়ারব্যাগ, ব্রিদিং অ্যাপারেটাস, থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা, অনুসন্ধানের কাজে সার্চ ভিশন ক্যামেরা, প্রাণঘাতী গ্যাসের অস্তিত্ব নির্ণয়ের জন্য গ্যাস ডিটেক্টর, রোটারি হ্যামার ড্রিল, চিপিং হ্যামার, এয়ার কম্প্রেসর ভাইব্রেটর মেশিন, ডোর ওপেনার, পাইপ স্কুইজার, চেইনস দুটি ভিন্ন প্রকৃতির ব্লেড ব্যবহারের মাধ্যমে লোহা বা কাঠ কাটার জন্য রেসিপ্রোকেটিংস ব্যবহৃত হয়।
জানা গেছে, গত ১০ বছরে দেশে দেড় লাখের বেশি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বস্তিগুলোয় দুই হাজার ২০০টির বেশি অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এ সব ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির যে পরিমাণ দেখনো হয় বাস্তবে তার পরিমাণ অনেক বেশি হবে বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিবছর গড়ে ১৯ হাজার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। গত ১০ বছরে সারা দেশে এক লাখ ৫০ হাজার ২১৫টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে প্রাণ হারিয়েছে প্রায় আড়াই হাজার মানুষ। আহত হয়েছেন ১৩ হাজারের বেশি। ক্ষতির পরিমাণ সাড়ে চার হাজার কোটি টাকারও বেশি।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অগ্নিকাণ্ড কখন ঘটবে সে বিষয়টি অনুমান করার উপায় নেই। তবে সচেতন হলে দুর্ঘটনা অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব। এ জন্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও তার ইত্যাদি ব্যবহারের সময় পণ্যমান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। বাড়িঘর ও কলকারখানায় অগ্নিনির্বাপকের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স বিভাগের পরিচালক বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, অগ্নিকাণ্ড কমিয়ে আনতে হলে সাধারণ মানুষকে আরো অধিক সচেতন হতে হবে। একই সঙ্গে প্রশিক্ষণেরও প্রয়োজন রয়েছে। ফায়ার সার্ভিস সেক্টরের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে সরকারের নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে জানানো হয়, ২০০৮ সালে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ফায়ার স্টেশন ছিল ২০৩টি। দেশের প্রতিটি উপজেলায় ন্যূনতম একটি করে ফায়ার স্টেশন নির্মাণ কমসূচি বান্তবায়ন শেষ পর্যায়ে। গত ১০ বছরে নতুন ২০৮টি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন করা হয়, ফলে বর্তমানে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন সংখ্যা ৪৩৫টি। এছাড়া বেশ কিছু নির্মাণ করা স্টেশন চালুর অপেক্ষায় আছে। ২০০৮ সালে এ সেক্টরে জনবল ছিল ছয় হাজার ১৭৫ জন, বর্তমানে জনবল বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে প্রায় ১৩ হাজার জন।
উল্লেখ্য, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। ১৯৮২ সালে ফায়ার সার্ভিস পরিদপ্তর, সিভিল ডিফেন্স পরিদপ্তর এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের উদ্ধার পরিদপ্তরের সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বর্তমান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন এ প্রতিষ্ঠানটি গতি, সেবা ও তাগের মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত। প্রথম সাড়া প্রদানকারী সংস্থা হিসেবে এ বিভাগের কর্মীরা অগ্নিনির্বাপণ, অগ্নি প্রতিরোধ, উদ্ধার, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান, মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে প্রেরণ ও দেশি-বিদেশি ভিআইপিদের অগ্নি নিরাপত্তা বিধান করে থাকে।

তথ্য সূত্র-আজকালের খবর

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

দেখার হাওরে নয় সুরমা’র উত্তরে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবী নুরুজ্জামান শাহী’র
প্রণোদনা প্যাকেজের সুবিধায় ঘুরে দাঁড়াচ্ছে কৃষি ও কৃষক
কবর জিয়ারত করবেন যেভাবে
মুসলমানদের প্রিয় নাম মুহাম্মাদ
জয় হোক জনতার
‘মহানবীর (সা.) ব্যঙ্গচিত্র ও বাক-স্বাধীনতা’: আসিফ নজরুলের ফেসবুক স্ট্যাটাস

আরও খবর