শনিবার, ২৮শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ ৯.৫৭°সে
সর্বশেষ:
লড়াই করেও শেষপর্যন্ত কুমিল্লার কাছে হারে খুলনা খুলনায় ১কেজি ৭৫০ গ্রাম সোনার বারসহ ২ জনকে আটক রামগঞ্জ প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি রহমত উল্যাহ সম্পাদক কবির হোসেন ভারতে ৩ বিমান বিধ্বস্ত আত্রাইয়ে চোরসহ গ্রেপ্তার ৪ হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী পুতুল নাচ ১ লাখ টাকা বেতনে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালে চাকরির সুযোগ ১২ দিন সংসার করে পেলেন ১০০ কোটি! রাজশাহীতে আ. লীগের জনসভার জন্য ভাড়ায় ৭ বিশেষ ট্রেন সুইডেনে কুরআন পোড়ানোর প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন শাহরাখের ‘পাঠানে’ বাজিমাত, ২ দিনে আয় ২২০ কোটি ইরানে আজারবাইজানের দূতাবাসে হামলা, প্রধান নিরাপত্তারক্ষী নিহত

কঠিন সময় ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি বিশ্ব

????????????????????????????????????????????????

রায়হান আহমেদ তপাদার:

পৃথিবীজুড়ে বিরাজমান যুদ্ধবিগ্রহ, দ্বন্দ্ব, সংঘাত, নৈরাজ্যসহ এমন নানা কারণে চরম অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে খাদ্য উৎপাদন, বণ্টন ও বিনিময় প্রক্রিয়া। বিশ্ববাজারে পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে দ্রব্যমূল্য এবং সেইসঙ্গে আমদানি-রপ্তানিতে যুক্ত হচ্ছে অতিরিক্ত শুল্কব্যবস্থা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মানবসৃষ্ট সংকট আন্তর্জাতিক খাদ্যবাজারকে রীতিমতো অস্থিতিশীল করে রেখেছে। সাম্প্রতিক সময়ে শ্রীলঙ্কার পর্যুদস্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার দিকে তাকালেই আমরা এর প্রভাব উপলব্ধি করতে পারি। দ্রব্যমূল্যের আকাশচুম্বী অবস্থান দরিদ্রদের পাশাপাশি মধ্যবিত্তদেরও ভোগাচ্ছে। অথচ মৌলিক চাহিদার প্রথম ও প্রধান উপাদান খাদ্য, যাকে ঘিরে আবর্তিত হয় মনুষ্য-সংশ্লিষ্ট ক্রিয়াকলাপ। আভিজাত্যপূর্ণ জীবন না হলেও চলে কিন্তু না খেয়ে থাকার কোনো সুযোগ নেই। ক্ষুধার আগুনে পুড়ছে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ। যাদের জীবনে দিনে একবারও খাবার জোটে না, এমন মানুষের সংখ্যাও কম নয়। নানা সংকটে এ সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

ক্ষুধার্তের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাদ্যের অনিশ্চয়তাও তীব্রভাবে দেখা দিয়েছে বিশ্বে। বর্তমানে বিশ্বের প্রতি তিনজন মানুষের একজন এ অনিশ্চয়তার শিকার। গত দুই বছর ধরে করোনা মহামারির প্রভাবে বিশ্বজুড়ে ক্ষুধার্তের হারে উল্লম্ফন ঘটেছে। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মহামারির এক বছরেই বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষ বেড়েছে ১৮ শতাংশ, যা গত কয়েক দশকে দেখা যায়নি। এদিকে নতুন করে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান এরই মধ্যে একটি ট্র্যাজেডিতে পরিণত হয়েছে। এটি বিশ্বের খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে খাদ্য সংকটের পাশাপাশি, আরো কিছু বিপর্যয় ডেকে আনবে। এ বিপর্যয়গুলো তিনভাবে অনুভূত হবে। বর্তমান শস্যের চালানে ব্যাঘাত, ইউক্রেন ও রাশিয়ায় কম খাদ্যশস্যের কম ফলন বা ভবিষ্যৎ ফসলের অপ্রাপ্যতা এবং বিশ্বের অন্যান্য অংশে উৎপাদন হ্রাস পাওয়া। এর ফলে খাদ্য ও জ্বালানির এ উচ্চমূল্য বিশ্বব্যাপী অন্যান্য পণ্যের ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি, মূল্যস্ফীতিকেও বাড়িয়ে তুলবে। আর বাড়িয়ে তুলবে অর্থনৈতিক সংকট ও মানবিক বিপর্যয়।

অন্য দিকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের অনেক অঞ্চল ক্রমেই শুষ্ক হয়ে উঠছে। কৃষি উৎপাদনে পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব। বাড়ছে অনাবৃষ্টি ও খরার প্রকোপ। সন্দেহ নেই, খরা একটা প্রাকৃতিক ঘটনা, কিন্তু ভূমি ও পানি ব্যবহারের অধিকতর বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্তের অভিঘাত অনেকটাই কমাতে পারে। ব্রাজিল, ইথিওপিয়া, ভারত ও তিউনিসিয়ায় খরার বিরূপ প্রভাব কমাতে রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং এবং টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনার কিছু ব্যবস্থা চর্চিত হচ্ছে। শুধু খরা নয়, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে অনেক জায়গায় ফসলে হিট শক হচ্ছে। ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। এজন্য উন্নত বিশ্বের অনেক দেশই জলবায়ু নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিক কৃষি প্রবর্তন করেছে। গ্রিন হাউসের মধ্যে সারা বছর প্রয়োজনীয় খাদ্য উৎপাদন করছে। মেটাচ্ছে স্থানীয় চাহিদা।

সময়ের ব্যবধানে দেশে খাদ্য উৎপাদন অনেক বেড়েছে। স্বাধীনতার পর দেশে খাদ্য উৎপাদনের পরিমাণ ছিল প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টন। বর্তমানে সেটি প্রায় ৪০ কোটি টন ছাড়িয়েছে। একইভাবে শস্যনিবিড়তাও আগের চেয়ে বেড়েছে। বাড়ছে প্রযুক্তির ব্যবহার ও কৃষির যান্ত্রিকীকরণও। এসব নিঃসন্দেহে ইতিবাচক অগ্রগতি। কিন্তু এখন কৃষিতে নতুন হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন। এরই মধ্যে আমাদের কৃষি খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দৃশ্যমান। লবণাক্ততা, খরা, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়ের পৌনঃপুনিকতায় ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে খাদ্য উৎপাদনে। বীজ গজানো, পরাগায়ন ও পরিপক্ব হতে সুনির্দিষ্ট তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত ও সূর্যালোকের প্রয়োজন। জলবায়ুর এ উপাদানগুলো পরিবর্ধিত হচ্ছে, কিন্তু বীজ বপন ও চারা রোপণের সময় পরিবর্তন সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট গবেষণায় ওঠে এসেছে, অদূর ভবিষ্যতে আমাদের চালের ঘাটতির যে প্রাক্কলন করা হয়েছে তা বিশ্বের খাদ্যনিরাপত্তার জন্য অশনিসংকেত।

বিরূপ আবহাওয়া, বৈশ্বিক আর্থ-রাজনৈতিক নানা প্রেক্ষাপটে খাদ্য সংকট যে আরো তীব্রতর হবে, তা সহজেই অনুমেয়। এর জন্য সার্বিকভাবে প্রস্তুত হওয়ার এখনই সময়। কয়েক বছর ধরে দেশের প্রধান খাদ্যশস্য চালের সংকট দৃশ্যমান। চাহিদার তুলনায় জোগান কম। ঘাটতি মেটানো হচ্ছে আমদানি করে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৩০ সালে দেশে চালের ঘাটতি ৩৬ লাখ টন ছাড়াতে পারে। জনসংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। কিন্তু আশানুরূপ বাড়ছে না খাদ্য উৎপাদন। সামনে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবসহ কৃষিতে বহুমাত্রিক প্রতিকূল পরিস্থিতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তেমনটা হলে খাদ্যনিরাপত্তায় বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হবে। এ ঝুঁকি মোকাবিলায় এখন থেকেই কর্মপরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন। গত বছর দেশে চালের চাহিদা ছিল ৩ কোটি ৫২ লাখ টন। স্বাভাবিক পরিস্থিতি অনুযায়ী জোগান ধরা হয় ৩ কোটি ৭৫ লাখ টন। কিন্তু প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে চালের জোগান নেমে আসে ৩ কোটি ৪৬ লাখ টনে এবং ঘাটতি হয় ছয় লাখ টন।

এর আগের বছরও ঘাটতি হয় প্রায় ১০ লাখ টন। এবার ঘাটতি আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। চলতি বছর বোরোতে ভালো ধান হয়েছিল। তবে হাওরে আগাম বন্যা এবং আরো কিছু জায়গায় কয়েক দফা বন্যায় শেষ মুহূর্তে একটা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বোরো ধান ঘরে তোলা যায়নি। এখন চলছে চাল উৎপাদনের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৌসুম আমন। খরা আর অনাবৃষ্টির কারণে অনেক জায়গায় আমন রোপণ করা হয়নি। আবার যেখানে লাগানো হয়েছে সেখানে ঠিকমতো সেচ দেওয়া যাচ্ছে না। গ্রামগঞ্জে অনেক সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। এর মধ্যে সার ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি আরো বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। এছাড়া ভবিষ্যতে কৃষি উৎপাদন জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব, মাটির ক্ষয়-অবক্ষয়, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, সেচের পানির স্বল্পতা, অনাবৃষ্টিসহ বিরূপ আবহাওয়ার সম্মুখীন হবে বলে সংশ্লিষ্ট গবেষণায় ওঠে এসেছে। বলা চলে, এসবই বাংলাদেশের কৃষির আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ।

এদিকে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব পড়ছে খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায়। বিশ্বের অন্যতম শস্য উৎপাদনকারী দুই দেশের বিরোধে পাল্টে গেছে সব হিসাব-নিকাশ। খোদ ইউরোপের দেশগুলোতেই দেখা দিয়েছে খাদ্য সংকট। ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের কারণে বন্ধ রয়েছে দেশটি থেকে গম ও ভুট্টা রপ্তানি। অন্যদিকে, যুদ্ধ ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়া গুরুত্ব দিচ্ছে নিজস্ব চাহিদার দিকে। ফলে রাশিয়া থেকেও শস্য রপ্তানি হচ্ছে না। অথচ দেশ দুটির গম ও ভুট্টার প্রধান আমদানিকারক ইউরোপের দেশগুলো। বৈশ্বিক গম রপ্তানির ৩০ শতাংশই হয় দেশ দুটি থেকে। এমনকি মোট সয়াবিনের ৮০ শতাংশই সরবরাহ করে ইউক্রেন ও রাশিয়া। এফএওর প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো টরেরো বলেন, শীর্ষ গম রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে প্রথম অবস্থান রাশিয়ার। আর পঞ্চম অবস্থানে ইউক্রেন। এ দুটি দেশে উৎপাদিত শস্যের প্রধান বাজারই ইউরোপ। যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দামের সঙ্গে বাড়ছে শস্য উৎপাদন খরচও। দেশ দুটি থেকে রপ্তানি বন্ধ থাকায় মজুদ পণ্যের ওপরও পড়ছে প্রভাব। এতে ভেঙে পড়েছে পুরো সাপ্লাই চেইন। যুদ্ধের এক মাস যেতে না যেতেই এর প্রভাব টের পেতে শুরু করেছে ইউরোপ। এরই মধ্যে দেশগুলোতে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে ৭ শতাংশের বেশি। জাতিসংঘের শঙ্কা এটা ২০ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

পরামর্শক সংস্থা ক্রুর হামফ্রে নাইট সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে বলেছেন, যেহেতু রাশিয়া পটাশের বৈশ্বিক উৎপাদনের ২০ শতাংশ সরবরাহ করে থাকে, নিশ্চিতভাবে এর মূল্য আরো বাড়বে এবং তাই এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বিশ্বের প্রতিটি কৃষি অঞ্চলে অনুভূত হবে। এছাড়াও খাদ্য সংকটের এই ধাক্কাটি মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা এবং এশিয়ার কিছু অংশে সবচেয়ে তীব্রভাবে অনুভূত হবে, যেখানে প্রায় আট কোটি মানুষ কৃষ্ণ সাগরের গমের ওপর অনেক বেশি নির্ভর করে। এর মধ্যে রয়েছে তুরস্ক, যা দক্ষিণ ভূমধ্যসাগরের বেশির ভাগ অংশে ময়দা সরবরাহ করে। ইউক্রেনের ভুট্টা, সয়াবিন এবং উদ্ভিজ তেল ছাড়া অন্য অনেকেই খুব কাজ চালাতে পারে। ভার্দে এগ্রিটেকের ক্রিস্টিয়ানো ভেলোসো বলেন, মাংস এবং কৃষিপণ্যের অন্যতম বিশাল উৎপাদক ব্রাজিল, রাশিয়া বা বেলারুশ থেকে তার পটাশের ৪৬ শতাংশ আমদানি করে। সার এবং জ্বালানির উচ্চতর মূল্য সর্বত্র কৃষকদের প্রান্তিক আয়কে সংকুচিত করবে এবং অবশেষে এ ব্যয়ভার ভোক্তাদের ঘাড়ে চড়াও হবে। নিকট ভবিষ্যতে খাদ্য সংকট শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বগ্রাসী রূপ ধারণ করতে পারে। তার পূর্বাভাস এরই মধ্যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

এদিকে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার, ভোজ্যতেলসহ প্রায় সবকিছুর মূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে এমনিতে নাজেহাল মানুষের জীবন। এসব বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম দফায় দফায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। দরিদ্র আরো দরিদ্র হচ্ছে এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণির অবস্থা শোচনীয়। এক তথ্যে দেখা যায়, নিম্ন আয়ের ৬০ শতাংশ প্রায় ৭০টি দেশ মহামারিতে বৈশ্বিক ঋণ পরিশোধ স্থগিত কর্মসূচিতে যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। আইএমএফের মতে, এই দেশগুলো ২০২০ সালে ঋণ দুর্ভোগে পড়ার উচ্চঝুঁকিতে ছিল কিংবা এরই মধ্যে দুর্ভোগে পড়েছে। ২০১৫ সালের তুলনায় এই ঝুঁকি ছিল ৩০ শতাংশ বেশি। করোনাভাইরাসের প্রভাবে সারা বিশ্বেই দরিদ্রতা গ্রাস করছে। ভয়াবহভাবে দারিদ্র্য মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেইসঙ্গে পৃথিবীতে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে। সেটা সামাল দেওয়া বিশ্বের জন্য চ্যালেঞ্জের।

লেখক : গবেষক ও কলাম লেখক

raihan567@yahoo.com

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

সংবাদপত্র, সাংবাদিকতা ও আহমদুল কবির
ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী গঠনে ইসলামের নির্দেশনা
জাতিসংঘ দিবস ও আমাদের অর্জন
থামছে না মহাসড়কে ছিনতাই- ডাকাতি, নিরাপত্তা চাই
প্রত্যাশার জায়গা: ভিশন ২০২১ ও তথ্য সেবা কেন্দ্র
হিমছড়ির অবস্থা দেখে আমি বিস্মিত

আরও খবর


close