সোমবার, ১৬ই মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ২৩.৭°সে
সর্বশেষ:
ভূমধ্যসাগর থেকে ৩২ বাংলাদেশি উদ্ধার ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত ৫ বাংলাদেশে এসডিজি বাস্তবায়নে অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান কুকুরের মাংস দিয়ে বিরিয়ানি বিক্রি, মালিক আটক উত্তীর্ণ হচ্ছেন সাত কলেজের অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা আমেরিকা-কানাডায় সাড়া ফেলেছে বাংলাদেশি চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডা. মুনির হোসেনের বই বাংলাদেশির উদ্যোগে মালদ্বীপে কৃষি বিদ্যালয় উদ্বোধন ইউক্রেনের তিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি রাশিয়ার বাজারের ব্যালেন্স ঠিক রাখার জন্যই সরকার ধান চাল কেনেন – খাদ্য মন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন লক্ষে সুনামগঞ্জ যুবলীগের নানা কর্মসূচি সুনামগঞ্জ কুশিয়ারা নদীতে ৩ দিন ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ, দুর্ভোগ চরমে কুসিক নির্বাচন: আচরণবিধি দেখার জন্য ৩ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।।নগরীতে বিজিবি মোতায়েন

ঈদযাত্রায় দুর্ভোগের আশঙ্কা

সম্পাদকীয়
মহাসড়কে যাত্রীদের দুর্ভোগের বিষয়টি নতুন নয়। প্রতিবছর ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ ভয়াবহ আকার ধারণ করে। বর্তমানে দেশের উত্তরাঞ্চলগামী ২৩ জেলার মানুষের দুর্ভোগ শুরু হয় টঙ্গী ব্রিজ থেকে। একদিকে বেহাল সড়ক, অন্যদিকে উন্নয়ন কাজ চলমান।

এ কারণে প্রতিদিন এ সড়কে যানজট লেগেই থাকে। এতে দুর্ভোগে পড়ে এ সড়কে চলাচলকারী যাত্রীরা। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের টঙ্গী থেকে চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার সড়কে যাত্রীদের দুর্ভোগ লেগেই থাকে। টঙ্গী থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার সড়ক এখনো খানাখন্দে ভরা। তাই যাত্রীদের অতিরিক্ত দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ঈদের আগে এ সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লে যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

এ সড়কে ২০১২ সালে শুরু হয় বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের কাজ, যা ২০১৬ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রকল্পের কাজ শেষ হয়নি। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী সেতু থেকে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার অতিক্রম করতে এখন সময় লাগে ৩-৪ ঘণ্টা, কখনো কখনো এর চেয়েও বেশি। করোনা মহামারির বিধিনিষেধ না থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, আগের তুলনায় এবারের ঈদে অনেক বেশি মানুষ তাদের গ্রামের বাড়ি যাবে। ফলে ঈদযাত্রায় এবার চরম ভোগান্তির আশঙ্কা করছেন এ পথে চলাচলকারী যাত্রীরা। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বড় এক সমস্যা সড়কে পানি জমে থাকা। বৈশাখের শুরু থেকে বৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই হিসাবে ঈদের আগেও বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টি হলে এ সড়কে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে।

কেবল ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে নয়, ঈদের আগে-পরে দেশের সব মহাসড়কেই যানবাহনের চাপ বেশি থাকায় যানজট সৃষ্টি হয়। মহাসড়কের পাশে হাটবাজারের কারণেও যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। বাস্তবসম্মত ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে দেশের মহাসড়কগুলো কার্যত মহাসড়ক হয়ে উঠতে পারছে না। বর্তমানে সারা দেশের জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে ছোট-বড় হাজার হাজার দোকান নিয়ে কয়েক শ স্থায়ী, অস্থায়ী ও অবৈধ হাটবাজার গড়ে উঠেছে।

এসব হাটবাজারকেন্দ্রিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে যানবাহনের গতি কমে যাচ্ছে। এছাড়া যত্রতত্র মানুষের রাস্তা পারাপারের কারণে ঘটছে দুর্ঘটনা, বাড়ছে যানজট। কাজেই এসব সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। মহাসড়কগুলো যাতে স্থানীয় সড়কের মতো হয়ে না যায়, সেজন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। মহাসড়কের যত্রতত্র অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচল বন্ধ করতে হবে। ঈদে যাত্রীদুর্ভোগ কমাতে মহাসড়কের খানাখন্দ দ্রুত মেরামতেও মনোযোগী হতে হবে।

Fear of misery in Eid Yatra

The plight of passengers on editorial highways is not new. Every year during Eid, the misery of the homeless people takes a terrible shape. At present, the suffering of the people of 23 northern districts of the country started from Tongi Bridge. Dilapidated roads on one side and development work on the other.

Due to this, there is traffic jam on this road every day. Passengers traveling on this road are suffering due to this. The 12-kilometer Dhaka-Mymensingh highway from Tongi in Gazipur to Chandna Chowrasta continues to suffer. About three kilometers of road from Tongi is still full of potholes. So the passengers are suffering extra. If the traffic pressure increases on this road before Eid, the suffering of the passengers will increase.

Work on the Bus Rapid Transit (BRT) project on this road started in 2012, which was supposed to be completed in 2016. But so far the project has not been completed. It now takes 3-4 hours to cross 12 km from Tongi Bridge on Dhaka-Mymensingh Highway to Chandna Crossroads in Gazipur, sometimes even more. As there are no restrictions on the Corona epidemic, it is expected that more people will go to their villages this Eid than before. As a result, the passengers traveling on this route are fearing extreme suffering during the Eid Yatra. One of the major problems on the Dhaka-Mymensingh highway is water logging. There is a risk of rain from the beginning of Boishakh. As such, it may rain before Eid. If it rains, the passengers will have to suffer a lot on this road.

Not only on the Dhaka-Mymensingh highway, but also on all the highways of the country before and after Eid. The traffic jam is also severe due to the hat bazaar on the side of the highway. Due to lack of practical and effective measures, the country’s highways are not able to become practical highways. At present, hundreds of permanent, temporary and illegal haat bazaars have sprung up along the national and regional highways with thousands of shops.

The speed of vehicles is decreasing due to various activities centered on these hats and bazaars. Besides, accidents are happening due to people crossing the road everywhere, traffic congestion is increasing. Therefore, it has become urgent to take effective steps to solve these problems. Appropriate steps have to be taken so that the highways do not become like local roads. The movement of non-mechanical vehicles should be stopped everywhere on the highway. In order to reduce the suffering of the passengers on Eid, it is necessary to pay attention to repair the potholes of the highway quickly.

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের সড়ক-মহাসড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ,ঈদযাত্রা নিরাপদ হোক
পুনঃভর্তি ফি আদায় বন্ধ হোক
অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার ও স্বাস্থ্যঝুঁকি
উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়াতে হবে
স্বাগত ২০২২: ক্ষত কাটিয়ে নবোদ্যমে চলার বছর হোক
সড়কে নৈরাজ্য: শৃঙ্খলা ফিরবে কবে?

আরও খবর


close