শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ৪.১১°সে
সর্বশেষ:
চবি সাংবাদিকতা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পুনর্মিলনী ঝালকাঠিতে দিনব্যাপী তারুণ্যের মেলা অনুষ্ঠিত বিএনপি নেতাদের সঙ্গে মার্কিন উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব যেন চিরস্থায়ী হয় : প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুতে ভর্তুকি কমাতে সমন্বয় জরুরি : কাদের ঢাকায় এসেছে মার্কিন প্রতিনিধি দল ট্রাফিক সিগন্যাল সচল করতে আইজিপিকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ আমাকে জেলে পাঠাতে পারে: জার্মান গণমাধ্যমকে ড. ইউনূস দেশের প্রথম এনাটমি অলিম্পিয়াডে বিজয়ী চমেকের দুই শিক্ষার্থী পাবনার মাঝ নদীতে আটকে পড়া ফেরি ১২ ঘণ্টা পর উদ্ধার ইউক্রেনের যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্র বিপুল মুনাফা করছে: মার্কিন গণমাধ্যম বরিশালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিক্ষোভ

ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ শুরু হলেও ‘উদ্বিগ্ন নয়’ আওয়ামী লীগ

অনলাইন ডেস্ক:
বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রক্রিয়া শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই বলে মনে করছে আওয়ামী লীগ।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রক্রিয়া শুরু কথা জানান। এর প্রতিক্রিয়া জানতে সঙ্গে কথা হয় আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদের সঙ্গে।

শাম্মী আহমেদ বলেন, ‘এটা তো নতুন না। আগেও তারা ভিসানীতি ঘোষণা করেছিল। এটা নিয়ে আমাদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু আছে বলে মনে করি না।’

ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা আওয়ামী লীগের ওপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য করা হয়েছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে শাম্মী আহমেদ বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় না কোনো চাপ আমাদের ওপর আছে। কারণ আমাদের একটাই কথা আমরা অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই। আমরা সেটাই করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি এমন ভিসানীতি তারা যদি ২০১৪ ও ১৮ সালে দিত তাহলে বিএনপি দেশজুড়ে জ্বালাও-পোড়াও করতে পারত না। করতে ভয় পেত। আওয়ামী লীগের এটা নিয়ে চিন্তার বা ভয়ের কিছু আছে বলে তো আমি মনে করি না।’

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রহমান বলেন, ‘সারা বিশ্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতি রয়েছে। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশের নির্বাচন বাধাগ্রস্তের বিষয়ে যে কথা বলেছে এটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। তাদের এখতিয়ারের ব্যাপার। এটাকে খারাপ বা ভালো হিসেবে নেওয়ার সুযোগ আমাদের নেই।’

যুক্তরাষ্ট্র এমন পদক্ষেপের মাধ্যমে বাংলাদেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চায় কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখানে যেহেতু সরকারি দল, সরকারি কর্মকর্তা ও বিরোধী দল রয়েছে, তাই শুধু আমরা চাপ অনুভব করব কেন? আর এখানে চাপ অনুভব করার কারণ নেই। তারা যদি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এ নীতিমালা প্রয়োগ করতে চায় বা করে…তাদের চাওয়া এবং আমাদের চাওয়ার মধ্যেতো কোনো পার্থক্য নেই। কারণ আমরাও সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই।’

যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার এবং সহযোগিতা করার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রক্রিয়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই ব্যক্তিদের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দলের সদস্যরা রয়েছেন। ভিসা নীতির আওতায় পড়া ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের ওপরও এই নীতি প্রয়োগ হতে পারে।

এর আগে গত ২৪ মে বাংলাদেশের জন্য নতুন ভিসানীতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে নির্বাচন জালিয়াতি ও নির্বাচন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার সঙ্গে যারা জড়িত থাকবেন তাদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেওয়া হবে না।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

চবি সাংবাদিকতা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পুনর্মিলনী
বিএনপি নেতাদের সঙ্গে মার্কিন উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক
ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব যেন চিরস্থায়ী হয় : প্রধানমন্ত্রী
বিদ্যুতে ভর্তুকি কমাতে সমন্বয় জরুরি : কাদের
ঢাকায় এসেছে মার্কিন প্রতিনিধি দল
ট্রাফিক সিগন্যাল সচল করতে আইজিপিকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

আরও খবর