শুক্রবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ২১.৬১°সে
সর্বশেষ:
করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে নাকাল যুক্তরাষ্ট্রে ফেসবুকের মাধ্যমে ১৪ বছর পর মিলল মা-মেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যানদের ইউএনওর মতো নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ:হাইকোর্ট সিলেটে-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিবের জাতীয় সংসদে প্রথম ভাষণ নীতিমালা চূড়ান্ত হলেই বাংলাদেশে আসছে বিদ্যুৎচালিত গাড়ি ভারত বাংলা‌দে‌শের ম‌ধ্যে অসাধারণ বন্ধু‌ত্বের সম্পর্ক মৃত্যুর ৫ বছর ‘ছাড়পত্র’ পেল দিতির সিনেমা চলমান করোনা মহামারিতে বিশ্বে এক দিনে মৃত্যু ১০ হাজার, শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ১নং ওয়ার্ড রোটা: আবুল হোসেন ছোটনের উদ্যোগে ভ্যাকসিন সনদ বিতরণ বাংলাদেশ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ সংস্থা নিউজার্সির নতুন কমিটি গঠন গণমাধ্যমে শৃঙ্খলা আনার দাবি সাংবাদিকদেরই -ডিইউজে’র বার্ষিক সভায় তথ্যমন্ত্রী ইভ্যালির সিইও রাসেল, চেয়ারম্যান শামীমা গ্রেপ্তার

বিক্ষোভের মধ্যেই মিয়ানমারে খুলছে শিল্পকারখানা

বিক্ষোভ-ধর্মঘটের মধ্যেই মিয়ানমারে শিল্প-কারখানা এবং দোকানপাট খুলতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার সুপারমার্কেট ও শপিং সেন্টারগুলোও খুললেও সরকারি অফিস ও ব্যাংকগুলো বন্ধই থাকছে।

কারণ তাদের কর্মীরা অসহযোগ আন্দোলনে (সিডিএম) অংশ নিচ্ছেন। কাজে যোগদান করছেন না। বেসরকারি ব্যবসা-বাণিজ্য খুলতে শুরু করলেও রাস্তায় রাস্তায় চলছে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ।
মিয়ানমার দক্ষিণ এশিয়ার দরিদ্র দেশগুলোর একটি। সেখানে সাধারণ মানুষের কাজ ছাড়া টিকে থাকা সম্ভব নয়। তবে জান্তাবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসাবে সোমবারের সাধারণ ধর্মঘটে বেশিরভাগ মানুষ একাত্মতা ঘোষণা করেন।

একজন রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমাকে জীবিকা উপার্জন করতে হবে। ফলে আমার পক্ষে প্রতিদিন প্রতিবাদ-বিক্ষোভে অংশ নেয়া সম্ভব নয়। তবে সোমবার আমরা সবকিছু বন্ধ রেখেছি।’

দুর্বল অর্থনীতির মিয়ানমার করোনাভাইরাসের কারণে আরও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। তার ওপর টানা ধর্মঘটের কারণে সমস্যা হয়েছে এখন।

এ অবস্থায় রাষ্ট্রীয় মিডিয়ায় প্রচারিত ফুটেজে দেখা গেছে- জান্তাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং তার স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কাউন্সিলকে (এসএসি) ‘দেশের রুগ্ন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করার’ নির্দেশ দিচ্ছেন।

পহেলা ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর অভ্যুত্থানের পর সবার আগে সেনা প্রশাসনের সঙ্গে অসহযোগিতা এবং ধর্মঘটের ঘোষণা দেন ডাক্তাররা।

সেনাবাহিনী তাদের কাজে ফেরানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। ভয়ভীতি প্রদর্শনে কাজ না হওয়ায় এখনও সামরিক বাহিনী নানা কূটকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে।

বিভিন্ন সময় ডাক্তারদের আবাসিক এলাকা ও কোয়ার্টারের কাছে গিয়ে হানা দিয়েছে। কিন্তু ১৫ ফেব্রুয়ারি সরাসরি আবাসিক ভবনে ঢুকে ‘ডাক্তার সো’ নামের একজনের কক্ষে কশাঘাত করে পুলিশ। তিনি ভেতরে থাকলেও সাড়া না দিয়ে চুপ করে থাকেন।

১০ মিনিট পর তারা চলে যায়। তবে অন্য কোনো ডাক্তারকে খোঁজা হয়নি। ফলে ডাক্তাররা বুঝতে পারছেন না ঠিক কাকে আটক করতে চায় জান্তা। তবে সুনির্দিষ্ট কাউকে যে তারা গ্রেফতার করতে চায়, এটা স্পষ্ট।

সামরিক বাহিনী এনএলডির নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই বেশিরভাগ সরকারি চাকরিজীবী সেনা প্রশাসনের আওতায় কাজ না করার ঘোষণা দেন।

এখন পর্যন্ত ধর্মঘট পালনকারী অন্তত একজন ডাক্তারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য অনেককে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সিনিয়রদের মাধ্যমে হুমকি দেয়া হয়েছে।

করোনা মহামারি শুরুর সময় থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা দিয়ে প্রশংসা পেয়েছেন মিয়ানমারের ডাক্তাররা। এবার তারা সেনা শাসনকে উপেক্ষা করে আরেক প্রশংসনীয় কঠিন লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

উপজেলা চেয়ারম্যানদের ইউএনওর মতো নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ:হাইকোর্ট
নীতিমালা চূড়ান্ত হলেই বাংলাদেশে আসছে বিদ্যুৎচালিত গাড়ি
চলমান করোনা মহামারিতে বিশ্বে এক দিনে মৃত্যু ১০ হাজার, শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো
ইভ্যালির সিইও রাসেল, চেয়ারম্যান শামীমা গ্রেপ্তার
বাংলাদেশে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সিএনজি ফিলিং স্টেশন
যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে মসজিদ পেল শিক্ষার্থীরা

আরও খবর


close