সোমবার, ২৬শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ২৪.৮১°সে
সর্বশেষ:
সুনামগঞ্জে তিন চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত সিলেটে ভুয়া সাংবাদিকসহ গ্রেপ্তার ৭ করোনায় ক্রীড়াবিদ শাহ আবু জাকেরের মৃত্যু গণমানুষের শিল্পী চামড়ার নির্ধারিত মূল্য উপেক্ষিত দিল্লি-রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছে তৃণমূল সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশের রেকর্ড গড়া জয় ‘কঠোরতম লকডাউনের’শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত কান্দাহার প্রদেশে তালেবানের হামলায় ঘরবাড়ি ছেড়েছে ২২ হাজার পরিবার প্রতি মাসে এক কোটি মানুষকে টিকা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আথিয়াকে ফলো না করার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী: সালমান

উৎপাদনশীল সব শিল্প-কারখানা চালু রাখার দাবি এফবিসিসিআইর

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এফবিসিসিআইর পরিচালক হচ্ছেন ৭৮ জন

ভিওএনজে ডেস্ক/ঢাকা/বাংলাদেশ
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধের আওতায সব ধরনের শিল্প-কারখানা বন্ধ রাখা হলে দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সম্পূর্ণভাবে বিঘ্নিত হবে সাপ্লাই চেইন (সরবরাহ ব্যবস্থা)। এতে উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

বিশেষ করে—খাদ্যসামগ্রী, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ পণ্য, বোতলজাত পানীয়, নিত্য-প্রয়োজনীয় পণ্য ইত্যাদি উৎপাদন বন্ধ থাকলে ভোক্তারা সমস্যার সম্মুখীন হবেন। পণ্য সঠিকভাবে সরবরাহ ও বাজারজাত না হলে মূল্য বৃদ্ধি পাবে। এতে স্বল্প আয়ের ক্রেতারা ভোগান্তিতে পড়তে পারেন। পাশাপাশি রফতানি খাতের উৎপাদন ব্যবস্থা বন্ধ থাকলে সময়মতো পরবর্তী রফতানি অর্ডার অনুযায়ী সাপ্লাই দেয়া সম্ভব হবে না। এতে রফতানি অর্ডার বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে উৎপাদনশীল সব শিল্প-কারখানা সচল রাখার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘ঈদের ছুটিসহ প্রায় ১৮-২০ দিন কারখানা বন্ধ থাকলেও অনিশ্চয়তার মাঝে লেইট সামার, ক্রিসমাস ও বড়দিন এবং আগামী শীতের কার্যাদেশসমূহ হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এক মাসের রফতানি শিডিউল বিঘ্নিত হলে পরবর্তী ছয় মাসের রফতানি শিডিউলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সেইসঙ্গে উৎপাদন বন্ধ থাকলে আমদানি করা কাঁচামাল অব্যবহৃত হয়ে নষ্ট হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এতে আমদানিকারক ও উৎপাদক উভয়ই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এছাড়া ক্ষুদ্র ও ছোট কারখানা বন্ধ রাখা হলে উদ্যোক্তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং কারখানা পুনরায় চালু রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে।’

এফবিসিসিআই সভাপতি জানান, ইতোমধ্যে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, প্লাস্টিক গুড্স ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ টেরি-টাওয়েল ম্যানু : অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ রফতানি ও উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশন ও চেম্বারগুলো শিল্প-কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম সচল রাখার বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য এফবিসিসিআই-এর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে।

 

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

পুঁজিবাজারে লেনদেন শেষ হলো উত্থানে
মহামারির প্রথম ঢেউয়ের এগোচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি: এডিবি
ব্যাংক লেনদেনের নতুন সময়
কঠোর লকডাউনেও আওতামুক্ত থাকবে যেসব শিল্প-কারখানা
ঈদের পর পোশাক কারখানা খোলা বিষয়ে সিদ্ধান্ত শনিবার
আন্তঃব্যাংক চেক নিষ্পত্তির নতুন সময়সূচি দিয়েছে বাংলাদশে ব্যাংক

আরও খবর


close