শনিবার, ২৫শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ১৮.৯৮°সে
সর্বশেষ:
জাজিরা প্রান্তের উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী সুধী সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি : বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী স্বপ্নের পদ্মা সেতুর দুয়ার খুললেন বাংলাদেশেরর প্রধানমন্ত্রী সমাবেশস্থলে মানুষের ঢল এক নজরে পদ্মা সেতুর আদ্যোপান্ত নরওয়েতে সমকামীদের বারে গুলি, নিহত ২ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদেও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বিল পাস সাড়ে ৭ বছরে কাজ করেছেন ১৪ হাজার শ্রমিক-প্রকৌশলী পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সময়সূচি আজ পদ্মার উৎসবে মাতবে পুরো বাংলাদেশ জবিতে সাংবাদিকতার বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নির্ধারিত সময়েই চালু হচ্ছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন

অনলাইন ডেস্ক:

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের কাঙ্ক্ষিত রেললাইনটি কবে নাগাদ চালু হবে তা নিয়ে চলছে নানান জল্পনা-কল্পনা। রেললাইনটি ঠিক কবে চালু হবে তা সুনির্দিষ্ট করে জানা না গেলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এটি চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
২০২৩ সালের জুনে প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একবছর সময় বাড়িয়ে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়।

জানা গেছে, ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল দোহাজারী-রামু-কক্সবাজার এবং রামু-ঘুমধুম পর্যন্ত মিটারগেজ রেলপথ নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দোহাজারী থেকে রামু পর্যন্ত ৮৮ কিলোমিটার, রামু থেকে কক্সবাজার ১২ কিলোমিটার এবং রামু থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ হচ্ছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পর্যটক পরিবহন ছাড়াও কম খরচে মাছ, লবণ, কাগজের কাঁচামাল, বনজ ও কৃষিজ দ্রব্যাদি পরিবহন করা যাবে।

সূত্র জানায়, ১২৮ কিলোমিটার রেলপথে স্টেশন থাকছে ৯টি। এগুলো হলো—সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চকরিয়া, ডুলাহাজারা, ঈদগাঁও, রামু, কক্সবাজার সদর, উখিয়া ও ঘুমধুম। সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাঁকখালী নদীর ওপর নির্মাণ করা হচ্ছে তিনটি বড় সেতু। এ ছাড়া এ রেলপথে নির্মিত হবে ৪৩টি ছোট সেতু, ২০১টি কালভার্ট এবং ১৪৪টি লেভেল ক্রসিং। সাতকানিয়ার কেঁওচিয়া এলাকায় তৈরি হবে একটি ফ্লাইওভার, রামু ও কক্সবাজার এলাকায় দুটি হাইওয়ে ক্রসিং।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ২০২৩ সালের জুনে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে ট্রেন চলবে বলে প্রত্যাশা করছে সরকার। প্রকল্প কাজ ইতোমধ্যে ৬৯ শতাংশ শেষ হয়েছে। করোনার প্রভাবে কাজের গতি মন্থর হলেও তা কাটিয়ে এখন কাজ চলছে পুরোদমে।
যদিও প্রকল্পের মেয়াদ একবছর বাড়ানো হয়েছে, তারপরেও সং শ্লিষ্টরা বলছেন, আগের নির্ধারিত মেয়াদ অর্থাৎ ২০২৩ সালের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। বাড়তি একবছর সময় রাখা হয়েছে লাইনটি রেল চলাচলের জন্য উপযোগী হয়েছে কিনা তা ট্রায়াল দেওয়ার জন্য। পুরো একবছরই পরীক্ষামূলকভাবে রেল চলবে। এই সময় দেখা হবে নির্মিত লাইনে কোনও ত্রুটি বিচ্যুতি আছে কিনা।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যেতে প্রায় ১০২ কিলোমিটার রেলপথ তৈরি হচ্ছে। কক্সবাজারে তৈরি হচ্ছে অত্যাধুনিক মানের আইকনিক রেলস্টেশন। চকরিয়া, রামু, ঈদগাঁও, নাপিতখালী—এসব জায়গায় পৃথকভাবে প্রায় ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ রেললাইন ইতোমধ্যে তৈরি হয়ে গেছে। গত মার্চ পর্যন্ত দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের ৬৯ শতাংশ কাজও শেষ হয়েছে। বর্তমানে মাটিকাটা, ব্রিজ নির্মাণ, রেললাইন তৈরি, বিদ্যুৎ লাইনসহ নানা কর্মযজ্ঞ চলছে রাত-দিন। প্রকল্পের কাজ শেষ হলেই দেশের অর্থনীতির গতির পাশাপাশি সড়কপথে পাঁচ-ছয় ঘণ্টার দূরত্ব রেলপথে অর্ধেকে নেমে আসবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

রেললাইনটি চালু হলে এ অঞ্চলের মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। দোহাজারি-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ৩৫ কোটি টাকা। করোনা পরিস্থিতি, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, বিদ্যুৎ লাইন, নির্মাণ ত্রুটিসহ নানান কারণে ২০২২ সালের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারছেন না প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। ফলে বাকি কাজ সম্পন্ন করতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময় বাড়লেও ব্যয় বাড়বে না বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মফিজুর রহমান।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালে শুরু হয়ে ২০২১ সালে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে মাত্র ৬২ শতাংশ। ২০২২ সালের চলমান প্রকল্পের মেয়াদ শেষে কাজ সম্পন্ন হবে ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত। ফলে শতভাগ কাজ শেষ হতে লাগতে পারে আরও ছয় মাস। এ ছাড়া নির্মাণ শেষে রক্ষণাবেক্ষণ ও নানা ত্রুটি দেখা গেলে তা সংশোধনের জন্য নিয়মানুযায়ী সময়ের মেয়াদ ধরা হয়েছে আরও দেড় বছর।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘প্রকল্পটি খুবই গুরত্বপূর্ণ। করোনা আমাদের সব প্রকল্পের কাজেই গতি কমিয়ে দিয়েছে। নানান কারণেই প্রকল্পের কাজ তেমন এগোয়নি। তবে করোনার পর সেই ঘাটতি মেটাতে কাজের গতি বাড়ানো হয়েছে। আশা করছি, নির্ধারিত সময়েই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।’
তিনি বলেন, ‘প্রকল্পটির কাজ শেষ হলে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রেল চলাচল করলে সমুদ্র সৈকতে পর্যটক বাড়বে। সময়-অর্থ দুটোই সাশ্রয় হবে বলে এর আশেপাশের পর্যটনকেন্দ্রগুলোর গুরুত্বও বাড়বে। এতে অর্থনীতিতে ইতবাচক প্রভাব ফেলবে। বদলে যাবে এখানকার আর্থ-সামাজিক অবস্থা।’সূত্র : বাংলাট্রিবিউন

The Chittagong-Cox’s Bazar railway line is being launched on time

Online Desk:

Speculation is rife about when the coveted Chittagong-Cox’s Bazar route will be launched. It is unknown at this time what he will do after leaving the post.
The project was supposed to be completed in June 2023. But the project was extended for one year till June 2024.

It is learned that on April 3, 2011, Prime Minister Sheikh Hasina laid the foundation stone for the construction of meter gauge railway from Dohazari-Ramu-Cox’s Bazar and Ramu-Ghumdhum. 8 km from Dohazari to Ramu, 12 km from Ramu to Cox’s Bazar and 28 km from Ramu to Ghumdhum are being constructed. If this project is implemented, besides transporting tourists, fish, salt, paper raw materials, forest and agricultural products can be transported at low cost.

According to sources, there are 9 stations on the 128 km railway line. These are: Satkania, Lohagara, Chakaria, Dulahazara, Eidgaon, Ramu, Cox’s Bazar Sadar, Ukhia and Ghumdhum. Three big bridges are being built over Sangu, Matamuhuri and Bankkhali rivers. Besides, 43 small bridges, 201 culverts and 144 level crossings will be constructed on this railway. A flyover will be constructed in Kenochia area of ​​Satkania and two highway crossings in Ramu and Cox’s Bazar areas.

According to project officials, the government expects the train to run on the Chittagong-Cox’s Bazar railway line in June 2023. Project work is already 69 percent complete. Although the pace of work was slow due to the effect of corona, the work is now in full swing.
Although the duration of the project has been extended by one year, the concerned people still say that the work of the project will be completed within the earlier scheduled period i.e. 2023. An additional one year has been set aside to test whether the line is suitable for rail traffic. The train will run experimentally for a whole year. This time we will see if there are any errors in the built line.

It is learned that about 102 km railway line is being constructed from Chittagong to Cox’s Bazar. A state-of-the-art iconic railway station is being built at Cox’s Bazar. Chakaria, Ramu, Eidgaon, Napitkhali — in these places about 32 km long railway line has already been built separately. Till last March, 69 percent work of Dohazari-Cox’s Bazar railway project has been completed. At present, various works including earthworks, construction of bridges, construction of railway lines, power lines are going on day and night. As soon as the work on the project is completed, along with the speed of the country’s economy, the distance of five-six hours by road will be halved by rail, said the concerned.

If the railway is launched, the socio-economic condition of the people of this region will improve. The cost of the Dohazari-Cox’s Bazar railway project has been estimated at Tk 18,035 crore. The people involved in the project are not able to complete the work by 2022 due to various reasons including Corona situation, land acquisition complexity, power lines, construction defects. As a result, the cost will not increase even if the time is extended till 2024 to complete the rest of the work, said project director engineer Mofizur Rahman.

According to project sources, the work of this project started in 2010 and completed in 2021, only 72 percent. By the end of the 2022 project, up to 75 percent of the work will be completed. As a result, it may take another six months to complete the work. Apart from this, if the maintenance and various defects are found at the end of the construction, the time period has been fixed for one and a half more years as per the rules.
Asked about this, Planning Minister MA Mannan said, “The project is very important. Corona has slowed down the work of all our projects. Due to various reasons, the work of the project has not progressed much. However, the pace of work has been increased to meet the deficit after Corona. Hopefully, the project will be completed on time.
He said, “Once the project is completed, the number of tourists visiting the beach will increase if the Cox’s Bazar train runs from Chittagong. The importance of tourist attractions in the vicinity will also increase as it will save both time and money. This will have a positive effect on the economy. The socio-economic situation here will change. ‘Source: Bangla Tribune

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

জাজিরা প্রান্তের উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
সুধী সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
পদ্মা সেতু বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি : বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
স্বপ্নের পদ্মা সেতুর দুয়ার খুললেন বাংলাদেশেরর প্রধানমন্ত্রী
সমাবেশস্থলে মানুষের ঢল
এক নজরে পদ্মা সেতুর আদ্যোপান্ত

আরও খবর


close