রবিবার, ২৬শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ১৮.৮°সে
সর্বশেষ:
প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়ে ‘রেমাল’ আঘাত হানবে রোববার সন্ধ্যায় বঙ্গবাজার মার্কেটসহ ৪ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় কোনো বস্তি থাকবে না, দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী ইউক্রেনকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কীভাবে তারা যুদ্ধ চালাবে: যুক্তরাষ্ট্র ঘূর্ণিঝড় রেমাল: বরগুনায় জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত আইপিএল ফাইনাল: কাল কেকেআরের মুখোমুখি হচ্ছে সানরাইজার্স আটক ৩৯ কিশোরকে মুচলেকায় ছাড়িয়ে নিল অভিভাবকরা হজ মৌসুমে ভিজিট ভিসাধারীদের মক্কায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কিভাবে এমপি আজিমকে খুন করা হয়, জানাল কসাই জিহাদ কী কারণে আল-আকসায় লুকিয়ে ছাগল নেওয়ার চেষ্টা তরুণীর শাহীনের আলিশান বাগানবাড়িতে যাতায়াত ছিল এমপি আজিমের যে কারণে এমপি আজিমের লাশ বিভিন্ন পার্টে ভাগ করে খুনিরা

কক্সবাজারে কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি

অনলাইন ডেস্ক:

ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে আজ নতুন করে বহু এলাকায় পানি ঢুকেছে। জেলার ৭টি উপজেলাতেই এখন বন্যা-পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এসব উপজেলার অন্তত ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। বন্ধ হয়ে গেছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক যোগাযোগ।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কুতুবদিয়ায় ৭০০ পরিবার, পেকুয়ায় ১০ হাজার পরিবার, মহেশখালীতে ৫০০ পরিবার, চকরিয়ায় ৫০ হাজার পরিবার, কক্সবাজার সদরে ১ হাজার পরিবার, ঈদগাঁও উপজেলায় ১৫০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

এছাড়া রামু উপজেলার ৪ ইউনিয়ন নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। মিঠাছড়ি, খুনিয়াপালং, রশিদনগর ও জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের বাঁকখালী নদী সংলগ্ন গ্রামের শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়েছে।

ঈদগাঁও উপজেলার ঈদগাঁও, জালালাবাদ, পোকখালী, ইসলামাবাদ ইউনিয়ন; কক্সবাজার সদরের পিএমখালী, খুরুশকুল, পৌরসভার কয়েকটি ওয়ার্ড; কুতুবদিয়ার ৬টি ইউনিয়ন; মহেশখালীর ৩ ইউনিয়ন প্লাবিত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। ৭ উপজেলাসহ বেশ কিছু এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছে।

আবহাওয়া অফিসের কক্সবাজার আঞ্চলিক কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষণ কর্মকর্তা দুলাল চন্দ্র দাশ জানান, সোমবার সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ১৭ মিলিমিটার। আগামী আরও ৩ দিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে।

চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী জানান, পাবর্ত্য জেলা বান্দরবান ও চকরিয়ার পাহাড়ি ঢল নেমে আসার মাধ্যম মাতামুহুরি নদী। পাহাড়ি ঢল, বৃষ্টি এবং জোয়ারের ঢেউয়ে নদীর বাঁধ ভেঙে বিভিন্ন ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। চকরিয়ার একটি পৌরসভা ও ১৮টি ইউনিয়নের মধ্যে পৌরসভাসহ ১২ ইউনিয়নের মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। এর মধ্যে ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে কাকড়া, লক্ষ্যরচর, বুমুবিল ছড়ি, সুরেজপুর-মানিকপুর, কৈয়ারবিল, কোনাখালী ইউনিয়ন। অনেক এলাকায় পানি বেশি হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সরানো হয়েছে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেপি দেওয়ান জানান, টানা চারদিনের বৃষ্টিতে ১২ ইউনিয়নের ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। যারা আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে তাদের শুকনা খাবার দেওয়া হচ্ছে। পানি বেশি হওয়ায় তলিয়ে গেছে মৌসুমি সবজিসহ আউশ ধানের খেত। পানিতে ভেসে গেছে সহস্রাধিক পুকুর ও ঘেরের মাছ। রাস্তার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে আন্তঃসড়ক যোগাযোগ। যেসব এলাকা প্লাবিত হয়েছে সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়ে ‘রেমাল’ আঘাত হানবে রোববার সন্ধ্যায়
বঙ্গবাজার মার্কেটসহ ৪ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
ঢাকায় কোনো বস্তি থাকবে না, দিনমজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
ইউক্রেনকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কীভাবে তারা যুদ্ধ চালাবে: যুক্তরাষ্ট্র
ঘূর্ণিঝড় রেমাল: বরগুনায় জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
আইপিএল ফাইনাল: কাল কেকেআরের মুখোমুখি হচ্ছে সানরাইজার্স

আরও খবর