শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ৩.৭৬°সে
সর্বশেষ:
চবি সাংবাদিকতা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পুনর্মিলনী ঝালকাঠিতে দিনব্যাপী তারুণ্যের মেলা অনুষ্ঠিত বিএনপি নেতাদের সঙ্গে মার্কিন উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব যেন চিরস্থায়ী হয় : প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুতে ভর্তুকি কমাতে সমন্বয় জরুরি : কাদের ঢাকায় এসেছে মার্কিন প্রতিনিধি দল ট্রাফিক সিগন্যাল সচল করতে আইজিপিকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ আমাকে জেলে পাঠাতে পারে: জার্মান গণমাধ্যমকে ড. ইউনূস দেশের প্রথম এনাটমি অলিম্পিয়াডে বিজয়ী চমেকের দুই শিক্ষার্থী পাবনার মাঝ নদীতে আটকে পড়া ফেরি ১২ ঘণ্টা পর উদ্ধার ইউক্রেনের যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্র বিপুল মুনাফা করছে: মার্কিন গণমাধ্যম বরিশালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিক্ষোভ

আমাকে সরানোর চেষ্টা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক:

আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানোর চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারত মহাসাগরীয় দেশগুলোকে নিয়ে নানা খেলা চলছে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই এলাকাটাকে নিয়ে নানা ধরনের খেলার একটা চক্রান্ত। যেহেতু আমি জানি, আমি বুঝি যে, কীভাবে আমাকে ক্ষমতা থেকে সরাবে। তাদের কিছু কেনা গোলাম আছে, পদলেহনকারী আছে, তাদের বসিয়ে এই জায়গাটাকে নিয়ে খেলবে। সেটাই হচ্ছে প্রচেষ্টা। সেটা আমি ভালোভাবে বুঝতে পরি।’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি তাদের চোখের মনি। তাদের নিয়ে ক্ষমতায় বসাতেই হবে।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এক স্মরণসভায় সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বুধবার (১৬ আগস্ট) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইঙ্গিত করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সব থেকে অবাক লাগে, যেসব দেশে এই খুনিদের (বঙ্গবন্ধুর) আশ্রয় দিয়ে রাখা হয়েছে, তারা যখন আমাদের কাছে এসে মানবাধিকারের কথা বলে। তারা নির্বাচনের কথা বলে, স্বচ্ছতার কথা বলে। তারা যেন এখন খুবই…বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে একেবারে উতলা হয়ে পড়েছে। তাদের কাছে আমার প্রশ্ন— ২০০১ সালের নির্বাচনের পর এদেশে নির্বিচারে অত্যাচার চললো। কত মানুষকে খুন করেছে। হাত কেটেছে। চোখ তুলে নিয়েছে। ঘরবাড়ি জ্বালিয়েছে। তখন নির্বাচন নিয়ে কোনও কথা হয়নি কেন? সেই নির্বাচনে তো আমাদের হারার কথা নয়। সে নির্বাচনে তো জোর করে আমাদের হারানো হয়েছে। খালেদা জিয়া ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন নির্বাচন করেছিল, তখন তাদের নির্বাচনি চেতনা কোথায় ছিল? জিয়াউর রহমান বা জেনারেল এরশাদের সময় ৪৮ ঘণ্টা ভোটের ফল বন্ধ করে রেখে ফল ঘোষণা করে, সেটা নিয়ে তো এদের কোনও উদ্বেগ আমরা দেখিনি। আজকে তাদের কাছ থেকে নির্বাচনের কথা, মানবাধিকারের কথা আমাদের শুনতে হয়। তো আমাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল— যেখানে আমরা বাবা-মায়ের হত্যার বিচার চাইতে পারতাম না। হত্যার বিচার চেয়ে একটা মামলা করার অধিকার আমাদের ছিল না।’

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘১৯৮৮ সালে এরশাদের নির্বাচনের সময় তো তাদের উদ্বেগ দেখিনি। হঠাৎ এবারের ইলেকশনের সময় যেন খুউব বেশি উতলা হয়ে পড়লো। নির্বাচনের একেবারে দাড়ি, কমা, সেমিকোলন, কোথায় কী? কীভাবে হবে তাই নিয়ে সব থেকে বেশি… এবং একের পর এক তাদের লোকজন আসা শুরু করলো। কেন? কারণটা কী? আর বিএনপি এখন তাদের চোখেন মনি। যে বিএনপি এত মানুষ হত্যা করেছে। জাতির পিতার হত্যার সঙ্গে জড়িত। তারা কয়দিন আগেও আগুন দিয়েছে। ২০১৩, ১৪ ও ১৫ তে অগ্নিসন্ত্রাস করে মানুষ হত্যা করলো। কিছুদিন আগেও তো পুলিশের গাড়িতে আগুন। পুলিশের ‍ওপর আক্রমণ। তো পুলিশ কি বসে বসে মার খাবে? জাতীয় সম্পদকে নষ্ট করা, এদেশে একটার পর একটা ধ্বংসযজ্ঞ চালালো, আজকে তাদের নিয়ে মাতামাতি।’

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

চবি সাংবাদিকতা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পুনর্মিলনী
বিএনপি নেতাদের সঙ্গে মার্কিন উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক
ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব যেন চিরস্থায়ী হয় : প্রধানমন্ত্রী
বিদ্যুতে ভর্তুকি কমাতে সমন্বয় জরুরি : কাদের
ঢাকায় এসেছে মার্কিন প্রতিনিধি দল
ট্রাফিক সিগন্যাল সচল করতে আইজিপিকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

আরও খবর